মহিলা-রূপান্তরকামীদের নিয়োগে ১০০% PF ভর্তুকি! প্রস্তাব শুভেন্দু সরকারের নয়া শিল্পনীতিতে

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari Govt New West Bengal Industrial Policy 2026 EPF Reimbursement for MSME

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের ছেলেমেয়েদের জন্য কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এক্ষেত্রে শুধু নতুন বিনিয়োগ আনলেই হবে না। বরং কাজের সুযোগ করতে হবে। বিশেষ করে মহিলা ও রূপান্তরকামীদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন শিল্প সংস্থানগুলির প্রভিডেন্ট ফান্ডে আর্থিক সুবিধা (EPF Reimbursement) দেওয়া হচ্ছে।

কর্মীদের ১০০% PF নিয়োগকর্তাদের ফেরাবে সরকার!

সূত্রমতে, রাজ্যের ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি শিল্প সংগঠনগুলিকে MSME করে কর্মীদের PF জমা দেওয়ার অর্থ ফেরত দেবে কোম্পানিকে। হ্যাঁ ঠিকই দেখছেন এমনটাই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে খসড়া নীতিতে। এক্ষেত্রে যে টাকা কর্মদাতা প্রদান করে সেটা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে কর্মী ও পদ অনুযায়ী এই ভর্তুকির অঙ্ক আলাদা হবে।

যদি নিয়োগকর্তারা মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মী নিয়োগ করেন তাহলে EPF অবদানের সবটাই ফেরত পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষ কর্মীদের ক্ষেত্রে ৫০% PF এর টাকা ফেরানো হবে। উভয় ক্ষেত্রেই এই সুবিধা থাকবে ১০ বছরের জন্য।

আরও পড়ুনঃ ৩ দিনে বিনিয়োগকারীদের সম্পদে ১০ লক্ষ কোটির বৃদ্ধি! দীপাবলির আগে শেয়ার বাজারে রকেটের গতি

এদিন কর্মসংস্থানের জন্য উৎসাহ ভাতা দেওয়া হবে হবে জানা গিয়েছে। যার মাধ্যমে একটি অর্থবর্ষে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ফেরত পাওয়া যাবে। তবে তার জন্য কিছু শর্ত থাকছে। এই নীতিতে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত এলাকায় নূন্যতম ২০০ জন ও অন্যান্য এলাকায় নূন্যতম ৪০০ জন কর্মী থাকতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিটের জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। আর বড় শিল্পের ক্ষেত্রে মহিলা কর্মী বা রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য আলাদা করে ১০০% পিএফের ভর্তুকির আলাদা করে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

আসলে যে কোনো কর্মী নিয়োগের পর বেতনের পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা জমা করতে হয় কর্মসংস্থান প্রদানকারী সংস্থাকে। যেটা ফেরত দেওয়া হলে উক্ত সংস্থার উপর থেকে আর্থিক বোঝ কিছুটা কমবে। ফলে একদিকে যেমন নতুন নিয়োগ বাড়বে। তেমনি ১০০% রিফান্ড হওয়ার ফলে মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মী নিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে।

প্রসঙ্গত, MSME সংস্থাগুলি যোগ্য হলে তাদের আধুনিকীকরণের জন্য মোট খরচের ৫০% অবধি আর্থিক সাহায্য করা হবে। যদিও সেটা সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা। তবে এই সমস্তটাই এখনও খসড়ার আকারে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এই নীতি লাগু হবে।