বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটে বড় জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গড়ার পথে বিজেপি। এখনও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হয়নি, তবে সরকার কীভাবে চলবে তার একটা পরিষ্কার ছবি সামনে আনলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফল প্রকাশের পরের সকালেই তিনি জানালেন, উন্নয়ন আর মানুষের সেবা, এই দুই বিষয়েই জোর দেবে নতুন সরকার।
ভোটের ফল ঘোষণা পর এখন সবার প্রথম প্রশ্ন কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী? বিজেপি এখনও সেই নাম ঘোষণা করেনি। তবে প্রচারের সময় থেকেই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দিয়েছিল, বাংলারই একজন বাঙালি মুখকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। অমিত শাহও বলেছিলেন, যিনি বাংলায় জন্মেছেন এবং বাংলা মাধ্যমেই পড়াশোনা করেছেন, তাকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে।
এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নামও স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় উঠে আসছে। তিনি টানা দু’বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নিজের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছেন। প্রচারের সময়েও অমিত শাহ তাঁর পাশে ছিলেন এবং দলের ভিতরে তাঁর গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে। তবে শুধু শুভেন্দুই নন, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নামও আলোচনায় আছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ থেকেও কোনও মুখকে সামনে আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে, কারণ সেই অঞ্চলে বিজেপি বাড়তি জোর দিয়েছিল।
বিজেপির লক্ষ্য নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)
এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, বিজেপির লক্ষ্য হল একটি উন্নত, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলা। তিনি আশ্বাস দেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে এবং সকলকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করা হবে। মানুষের সেবা করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি আত্মনির্ভর ও উন্নত পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সোমবারের বিজয় ভাষণেও মোদী এই বিষয়েই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
এই নির্বাচনে ২০০-র বেশি আসনে জিতে বিজেপি বড় সাফল্য পেয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই জয়ের জন্য সাধারণ মানুষ, দলীয় কর্মী, নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ, সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এই জয় শুধু বিজেপির নয়, বরং সাধারণ মানুষের জয়।

আরও পড়ুনঃ ভোটে জিতেই প্রতিশ্রুতি পূরণ! আসানসোলে খুলে গেল বহুদিনের বন্ধ দুর্গা মন্দির
ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিল। তৃণমূল এই বিষয়টিকে বড় ইস্যু করলেও শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব ভোটে পড়েনি। বরং বেশি সংখ্যক ভোট পড়ে এই বার রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিতই দিয়েছে (Suvendu Adhikari)।












