একমাসে ৪১০০ পরিবারে পৌঁছাবে জলের কল, জল জীবন মিশন প্রকাশ্যে ৩৯,০০০ কোটি দিল কেন্দ্র

Published on:

Published on:

one month to complete 4100 house hold water connection by pipeline
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও ভারতবর্ষে এমন অনেক গ্রাম রয়েছে যেখানে আজও পানীয় জলের কষ্টে ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। সারাবছর বছর তো বটেই, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পরিস্থিতি শোচনীয় হয়ে যায় বহু জায়গাতেই। এমতাবস্থায় ‘জল জীবন মিশন’ (Jal Jeevan Mission) প্রকল্পে গতি আনার জন্য তৎপর হল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই জুলাই মাসের শেষে রাজ্যের ৪১০০টি গ্রামে পাইপে করে জল সরবরাহ করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।

জল জীবন মিশন প্রকল্পে ৩৯,০০০ কোটির অনুমোদন

জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জল জীবন মিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘোষণার সময় ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। এদিন রাজ্যের তীব্র জলকষ্ট মেটানোর জন্য প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন মিলেছে।  সাধারণত প্রতিদিন একজন মানুষের ৫৫ লিটার জলের প্রয়োজন হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী যে সমস্ত গ্রামে জলকষ্ট তীব্র থেকে তীব্রতর সেখানে আগে কাজ শুরু করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

৪১০০ গ্রামে পাইপলাইনে জল পৌঁছাবে Jal Jeevan Mission 2.0

রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী অজয়কুমার পোদ্দারকে এই বিষয়ে আগাম সূচনা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, কাজ শেষে একটি শংসাপত্র জমা দিতে হবে বলেও জানা গিয়েছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী অজয়কুমার পোদ্দার এই কাজটি শেষ করার জন্য। সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ উধাও ২০০ কোটি! রাম মন্দিরে প্রণামী চুরি, কাঠগড়ায় শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট 

গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার নবান্নে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করেন অজয়কুমার পোদ্দার। সেখানে অজয়বাবু জানান, দফতরে যে সমস্ত প্রকল্প রয়েছে তার বেশিরভাগ এখন থেকে নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যেই শেষ করতে  হবে। এছাড়া রাজ্যের ৪১০০ গ্রামে জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ শেষ করা থেকে আগামী ৫ বছরের ‘ভিশন প্ল্যান’ নিয়েও এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৫ই অগাস্ট ২০১৯ সালে জল জীবন মিশন প্রকল্প ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরবর্তীতে এবছর অর্থাৎ ১০ই মার্চ ২০২৬ এ জল জীবন মিশন প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের শুরু হয় ইউনিয়ান ক্যাবিনেটে অ্যাপ্রুভ হওয়ার পর। এই প্রকল্পের মাধ্যেম সরকার ২০২৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রত্যন্ত গ্রামের সমস্ত বাড়িতে ট্যাপ কল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।