বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) রোজকার ভাত-তরকারির সঙ্গে জন্মাষ্টমীতে পড়ুয়াদের পাতে পড়ল আরও একাধিক সুস্বাদু পদ। উৎসব উপলক্ষে পায়েস, মিষ্টি পেয়ে ছাত্রছাত্রীদের মুখে ফুটল হাসি। পূর্ব মেদিনীপুরের তেরপেখ্যা স্টেট প্ল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Teropekhaya State Plan Primary School) এই অভিনব আয়োজন ঘিরে তৈরি হয় আনন্দমুখর পরিবেশ।
জন্মাষ্টমীতে মিড ডে মিলে এলাহি আয়োজন | (Mid Day Meal)
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে অন্যতম জন্মাষ্টমী। শুক্রবার এই বিশেষ উৎসব উপলক্ষে রাজ্য জুড়ে তৈরি হয়েছিল উৎসবের আমেজ। এই বিশেষ দিনে তেরপেখ্যা স্টেট প্ল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়েও অভিনব আয়োজন করা হয়। পড়ুয়াদের পাতে পরিবেশিত হয় পায়েস আর মিষ্টি।
বিজেপি সরকার মিড ডে মিলের বরাদ্দ আগের তুলনায় বাড়িয়েছে। এরপর থেকে পড়ুয়াদের পুষ্টি ও উৎসাহ বাড়াতে সাপ্তাহিক রুটিন মেনে মিড ডে মিলে এই ধরণের বিশেষ বিশেষ খাবারের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের আরও বেশি করে স্কুলমুখী করা ও পড়াশোনায় আগ্রহী করে তোলা যাচ্ছে। কচিকাঁচারা আনন্দের সঙ্গে স্কুলে আসছে। ফলে তাঁদের উপস্থিতির হারও লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শিক্ষকদের দাবি, মিড ডে মিলের রোজকার চেনা মেনুর বাইরে এমন সুস্বাদু পায়েস, মিষ্টির ব্যবস্থা শিশুদের মানসিক তৃপ্তি দেয়। সহপাঠীদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে আনন্দ উৎসবের মেজাজে খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়। ফলে সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে ওঠে। পাশাপাশি মানসিক বিকাশও বাড়ে তাঁদের।

মিড ডে মিল নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের তেরপেখ্যা স্টেট প্ল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অভিনব উদ্যোগে স্থানীয়রাও খুশি। মহিষাদলের এই প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই প্রচেষ্টা কাজে আসবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
এদিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরেই মিড ডে মিল নিয়ে একাধিক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে নতুন সরকার। কলকাতার একটি বৃহৎ অংশের স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি মিড ডে মিলের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষিকা থেকে শুরু করে পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবক, সকলেই খুশি।













