বাংলাহান্ট ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে মধ্যবিত্তের হেঁশেলে পড়েছে প্রভাব। এমনকি তার আঁচ পড়েছে বাংলা নববর্ষেও। নতুন বছরের মিষ্টি (Sweets) কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। শহরের নামী মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে মফস্বলের দোকানেও মিষ্টির দাম চড়া।
যুদ্ধ-গ্যাস সঙ্কটে বেড়েছে মিষ্টির (Sweets) দাম
এমনিতেও পয়লা বৈশাখে থাকে হালখাতার অনুষ্ঠান। আর সেই উপলক্ষে প্রতিবারই বেড়ে যায় মিষ্টির দাম। এদিকে আকার ক্রমশ কমতে থাকে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মিষ্টির দাম বেড়েছে আগেই। অতিরিক্ত দামে গ্যাস কেনার কারণে দোকানদাররা বাড়িয়েছেন মিষ্টির দাম। তার মধ্যে আবার পয়লা বৈশাখের জন্য গত কয়েকদিনে আরও বেড়েছে মিষ্টির দাম। এই পরিস্থিতিতে নববর্ষের মিষ্টি কিনতে গিয়ে কার্যত নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে মধ্যবিত্তের।

এখনও ঠিক হয়নি পরিস্থিতি: পরিস্থিতি এমনই যে, অনেক ছোট, মাঝারি দোকান এবার হালখাতার মিষ্টির অর্ডারই নেয়নি। মিষ্টির দোকানের মালিকরা জানান, এপ্রিলের শুরুর দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছিল। কিন্তু এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।
আরও পড়ুন : ভোটমুখী বঙ্গে ফের ‘অ্যাকশন’, কয়লা পাচার কাণ্ডে ১৬২ কোটি উদ্ধার ইডির
বেড়েছে মিষ্টির দাম: এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া নিয়ে এখনও রয়েছে অনিশ্চয়তা। মিষ্টি শিল্প সংগঠনের এক সদস্য জানান, কিছু মিষ্টির (Sweets) দাম ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। পলিমারের দাম বাড়ায় প্যাকেজিং এর খরচ বেড়েছে ৩০ শতাংশ। কিছু মিষ্টির দোকান দাম বাড়িয়ে দিলেও অনেক দোকান খরচ সামলাতে মিষ্টির আকার ছোট করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন : ধুরন্ধর ২ হিট হতেই পথ আলাদা! বিচ্ছেদ হচ্ছে রণবীর-দীপিকার?
গড়ে প্রায় সব মিষ্টির দাম ৫ টাকা করে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এবার গ্যাসের যা দাম বেড়েছে তাতে মিষ্টির দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। বাধ্য হয়েই মিষ্টি কেনা কমিয়ে দিয়েছে অনেকেই।












