গোটা বিশ্ব দেখবে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শক্তি! ২০২৭-এই ছুটবে প্রথম স্বদেশি বুলেট ট্রেন

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রমশ উন্নত হচ্ছে দেশের রেল প্রযুক্তি। ঠিক এই আবহেই ভারত একটি বড় মাইলফলক অর্জন করতে চলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে ভারতের প্রথম দেশীয় বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চালু হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পটি হাই-স্পিড রেল সিস্টেমে আত্মনির্ভরশীলতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর পাশাপাশি এটি দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার সঙ্গেও যথেষ্ট সঙ্গতিপূর্ণ। জানা গিয়েছে যে, এই ট্রেন ভারতীয় রেলের সহযোগিতায় ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। রিপোর্টে আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে, এই হাই-স্পিড ট্রেনটির একটি প্রোটোটাইপ বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে এবং এটি ঘণ্টায় ২৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে চলতে সক্ষম হবে। তবে, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার কথা বিবেচনা করে এই ট্রেনের অপারেশনাল স্পিড কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৭-এই ছুটবে প্রথম স্বদেশি বুলেট ট্রেন (Bullet Train):

দেশীয় দক্ষতার বিকাশ: জানিয়ে রাখি যে, এই দেশীয় বুলেট ট্রেনটি ভবিষ্যতের হাই-স্পিড করিডোরগুলিতে, বর্তমানে পরিকল্পনাধীন রুটগুলি সহ, চালু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। TOI-র একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারত ইতিমধ্যেই জাপানি শিনকানসেন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল প্রকল্পে কাজ করছে।

The first indigenous bullet train will run in 2027.

এই দেশীয় উদ্যোগটির লক্ষ্য হল দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় দক্ষতা বিকাশ করা এবং বিদেশি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমানো। আধিকারিকদের মতে, এই ট্রেনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে যাত্রীদের জন্য উন্নত আরাম ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও, ভারতের জলবায়ু এবং পরিচালন পরিস্থিতি মাথায় রেখে এই ট্রেনের ডিজাইন করা হচ্ছে। যা এই ট্রেনে আমদানি করা বিকল্পগুলির চেয়ে আরও বেশি উপযোগী করে তুলবে।

আরও পড়ুন: বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসাবে দুর্ধর্ষ নজির বৈভব সূর্যবংশীর! গড়লেন এমন ৫ রেকর্ড, জানলে চমকে যাবেন

কমবে খরচ: সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই পদক্ষেপ ভারতের রেল পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার বৃহত্তর প্রচেষ্টার একটি অংশ। TOI-এর একটি রিপোর্ট অনুসারে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে দেশীয় প্রযুক্তিতে একটি হাই-স্পিড ট্রেন তৈরি করলে তা সময়ের সাথে সাথে কেবল খরচই কমাবে না, বরং রফতানি এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য নতুন সুযোগও তৈরি করবে।

আরও পড়ুন: ভাইয়ের সঙ্গে অলিম্পিকে গড়েছিলেন অনন্য রেকর্ড! প্রয়াত ভারতের হকি কিংবদন্তি গুরবক্স সিং গ্রেওয়াল

বর্তমানে এই ট্রেনের প্রোটোটাইপটির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। যেখানে ইঞ্জিনিয়াররা মূলত ডিজাইন, এরোডায়নামিক্স এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলার ওপর মনোযোগ দিচ্ছেন। এই নির্মাণ সম্পন্ন হলে, বাণিজ্যিকভাবে চালু করার আগে ট্রেনটি কঠোর পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাবে।