বাংলা হান্ট ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান তথা ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদী মাওলানা মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) দাদা মোহাম্মদ তাহির আনওয়ারের পাকিস্তানে রহসমৃত্যু ঘটেছে। ইতিমধ্যেই এই নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীটির আনুষ্ঠানিক চ্যানেল জানিয়েছে যে, সোমবার পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরের জামিয়া মসজিদ উসমান ওয়ালিতে আনওয়ারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। যদি, তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) দাদার রহস্যমৃত্যু:
জইশ-ই-মহম্মদে আনওয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল: রিপোর্ট অনুসারে, আনওয়ার ছিল মাসুদ আজহারের পাঁচ ভাইয়ের একজন। সে জইশ-ই-মহাম্মদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত এবং এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল।

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, এর আগে, মাসুদ আজহার গত বছর দাবি করেছিল যে, পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রত্যুত্তর দিতে ভারতের তরফে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর ফরে তার পরিবারের ১০ জন সদস্য এবং তার ৪ সহযোগী নিহত হয়েছে। আজহারের নামে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয় যে, জেইএম সদর দফতরে ভারতের হামলায় নিহতদের মধ্যে তার বড় বোন, তার স্বামী, এক ভাইপো ও তার স্ত্রী, এক ভাইঝি এবং তার বর্ধিত পরিবারের পাঁচ শিশু অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আরও পড়ুন: IPL-এ আর চালাকি করতে পারবে না কোনও দল! এই নিয়মে পরিবর্তন আনল BCCI
বিমান হাইজ্যাকের পর আজহার মুক্তি পায়: তবে, এবার রহস্যজনকভাবে মাসুদ আজহারের দাদার মৃত্যু ঘটল। উল্লেখ্য যে,নামাসুদ আজহারকে ১৯৯৪ সালে ভারতে গ্রেফতার করা হয়। যদিও, এয়ার ইন্ডিয়ার আইসি ৮১৪ বিমান হাইজ্যাকের পর মুক্তি পায় সে।
আরও পড়ুন: জ্বালানি নিয়ে চিন্তার আবহেই ভারতের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! দেশে আর হবে না বিদ্যুতের সঙ্কট
উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তালিকাভুক্ত মাসুদ আজহার ভারতে বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত। ওই হামলাগুলির মধ্যে রয়েছে ২০০১ সালে সংসদ হামলা, ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলা।












