বাংলাহান্ট ডেস্ক: বাংলায় সপ্তম পে কমিশন (7th pay Commission) গঠনে উদ্যোগী রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। সরকারি কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে বেতন কমিশনকে পরামর্শ দিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই খুশি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাবোর্ডের অশিক্ষক কর্মীদের একাংশ সরকারি সিদ্ধান্তে নাখুশ।
সপ্তম পে কমিশনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন অনেকে | 7th pay Commission
অভিযোগ, নয়া বেতন কমিশনের আওতা থেকে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার কর্মী বাদ পড়েছেন। ২৯ জুলাই প্রকাশিত সরকারি তালিকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, নয়া কমিশনের সুবিধা থেকে রাজ্যের প্রায় ২৫টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের অশিক্ষক কর্মীদের বাদ রাখা হয়েছে।
এই সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও পদস্থ আধিকারিকদের নতুন বেতন কমিশনের আওতায় রাখা হয়েছে ঠিকই তবে বঞ্চিত অশিক্ষক কর্মীরা। এই বিষয় সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেঁটে পড়েছেন এই সকল কর্মীরা। উল্লেখ্য, এর আগেও সরাসরি পে কমিশনের আওতায় না এনে আলাদা ‘পে কমিটি’ গঠন করে বেতন বৃদ্ধি করা হত এই সকল কর্মীদের। দীর্ঘদিন ধরে তাদের অভিযোগ ছিল, এই প্রথার কারণে আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে বৈষম্য হত তাদের সাথে।
এরপর তৃণমূল সরকারের আমলে, বিশেষ করে ২০১৫ সালে ষষ্ঠ পে কমিশন গঠনের সময় সরাসরি পে কমিশনের আওতায় আনার জন্য দাবি তুলে বিক্ষোভে সামিল হন এই কর্মীরা। দীর্ঘ আন্দোলন-অনশনের পর অবশেষে ২০১৯ সালে তৎকালীন মমতা সরকার তাদের দাবি মেনে নেয়। ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় আসে এই কর্মীরা। তবে এবার নয়া পে কমিশনের ক্ষেত্রে ফের তাদের চূড়ান্তভাবে বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: দার্জিলিংয়ের কাছে খুব সুন্দর ঠিকানা, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে ঘুরে আসুন মহালদিরাম
ইতিমধ্যেই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে একজোট হতে শুরু করেছেন এই সকল কর্মীরা। যাতে অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনা করা হয়, অর্থ দফতর ও উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি না মানা হলে আগামীদিনে পথে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।













