বাংলা হান্ট ডেস্ক: এখনও বিধানসভা ভোট কবে তার দিনক্ষণ জানানো হয়নি। কিন্তু তার আগেই শুরু হয়ে গেছে দেওয়াল লিখন। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) বারাবনি (Barabani) বিধানসভা কেন্দ্রে। প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি ঘাসফুল শিবির, কিন্তু দেওয়াল লিখন প্রার্থীর নাম সহ লেখায়, শুরু হয়েছে শাসক দলের মধ্যে চাপান উতোর।
পশ্চিম বর্ধমানে (Paschim Bardhaman) নাম ঘোষণার আগেই প্রার্থীর নাম সহ দেওয়াল লিখন
বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের খুদিকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দেখা গেছে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীর নাম দিয়ে। সেখানে লেখা হয়েছে ২৬ এর বিধানসভা ভোটে, তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়কে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিন। বারাবনির বিধানসভার বিধায়ক হিসাবে তিনবার নির্বাচিত বিধান উপাধ্যায়। প্রথম ২০১১ সালে তিনি বিধায়ক হয়েছিলেন।
২০১৬ এবং ২০২১ সালেও তিনি বিধায়ক ছিলেন এবং বিপুল ভোটে তিনি জয়লাভ করেন। বিধান উপাধ্যায়কে নিয়ে দেওয়াল লিখন শুরু করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, সেখানকার এক তৃণমূল কর্মী রাজীব গড়াই বলছেন, ‘বিধানদা ছাড়া এই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিকল্প আর কোনও প্রার্থী আছে বলে আমার মনে হয় না।’ বিধান উপাধ্যায়ের বাবা ছিলেন প্রয়াত মানিক উপাধ্যায়। তিনি প্রথমে কংগ্রেস, পরে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন।
আরও পড়ুন:কদিন আগেই বেড়েছে ৫০০ টাকা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের এই গুরুত্বপূর্ণ আপডেট জেনে রাখুন
মানিক উপাধ্যায়ের বরাবরের শক্ত ঘাঁটি ছিল বারাবনি বিধানসভা। তিনি গত হওয়ার পর তার ছেলে বিধান এই এলাকা থেকে তৃণমূলের টিকিট পান। কিন্তু ভোটের আগে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি দল অথচ দেওয়াল লিখন প্রার্থীর নাম দিয়ে শুরু হয়েছে। এই দেওয়াল লিখন-এর পিছনে কি অন্য কোনও সমীকরণ কাজ করছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।
আরও পড়ুন:শুনানি শেষ হতেই কড়া পদক্ষেপ! ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের ৭ এইআরও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন

এ ব্যাপারে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বারাবনির কনভেনার অভিজিৎ রায় কটাক্ষের সুরে বলেছেন ‘এই ঘটনা যে কোন দলের নিয়ম শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এখনও পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়নি, তার আগেই কর্মী সমর্থকরা কোন অনুশাসন ভেঙে তাদের প্রার্থী তালিকা ডিক্লেয়ার করে দেয়। ভারতের জনতা পার্টিতে তো এটাকে অফেন্স হিসেবে ট্রিটমেন্ট করা হয়।’ আগে ভাগে এভাবে দেওয়াল লিখন ঘিরে অস্বস্তিতে শাসক দল। এখন দেখার তৃণমূল নেতৃত্ব এ ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেয়।












