বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ঘনিয়ে আসছে বিধানসভা ভোট। আর চলতি বছর শেষ হতে হাতে মাত্র আর দু’দিন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। শাসক-বিরোধী সব শিবিরেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। ঘন ঘন সভা, মিটিং-মিছিল। এরই মধ্যে তৃণমূলকে নিয়ে বড় কথা বলে দিলেন শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। ভাঙড়ে (Bhangar) রাজনৈতিক উত্তাপ আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক।
তিনমাস পর বিধানসভা নির্বাচন। আর জানুয়ারির ১ তারিখে তৃণমূল দিবস। ২ তারিখে তৃণমূল সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। সেই সভাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাদের কড়া নিদান শওকত মোল্লার।
ঠিক কি বললেন নেতা? (Saokat Molla)
তৃণমূল নেতার নির্দেশ, জানুয়ারি ১তারিখে তৃণমূল দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রত্যেকটা বুথে ২০০ করে তৃণমূলের পতাকা লাগাতে হবে । প্রধান ও অঞ্চল সভাপতিদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গড় ও ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা পতাকায় মুড়ে দেওয়ার নির্দেশ।
৩১ তারিখের মধ্যে ভাঙ্গড় ও ক্যানিং পূর্বতে পতাকা, ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন লাগানোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন শওকত মোল্লা। আরও নির্দেশ, ১ জানুয়ারি সকাল সকাল দলের পতাকা উত্তোলন করতে হবে। কর্মীদের নিয়ে সারতে হবে মিষ্টিমুখ।
এদিকে বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ করে সারা বাংলায় সভা করার ঘোষণা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম সভা দক্ষিণ ২৪ পরগনা বারুইপুর থানা এলাকায় সাগর সংঘ মাঠ থেকে। সেখানে জেলার ২ লক্ষ মানুষের জমায়েত করানোর নির্দেশ শওকত মোল্লার।
শুধু নির্দেশ নয়, কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শওকত বলেন, আমি মনে করি এই জমায়েতের ক্ষেত্রে নেতারা কোন দুর্বলতা দেখালে তাঁদের দলে থাকার কোনও অধিকার নেই। নেতা বলেন, ক্যানিং পূর্ব ও ভাঙ্গড় থেকে বেলা ১২ টার মধ্যে গাড়ি ছাড়তে হবে। ভাঙ্গড় ও ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা থেকে ৩৫০ গাড়ি প্রত্যেকটিতেই আলাদা স্টিকার লাগাতে হবে।

আরও পড়ুন: ওলটপালট হবে সব হিসেব! নতুন বছরের শুরুতেই সরকারি কর্মীদের জন্য আসতে পারে ‘সুখবর’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শওকত মোল্লা ঘোষণা করেন, ‘২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড়কে জিতিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দেব।’ সেই লক্ষ্যপূরণেই তৎপর নেতা। আর তিন মাস পরে নির্বাচন। তাই এই সময় কোন বিষয়কেই ছোট করে দেখতে নারাজ বিধায়ক।












