বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া তৃণমূল (TMC) কার্যালয়ে সিআইডি হানা। বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডের তদন্ত সূত্রে মঙ্গলবার এই অভিযান চালান তদন্তকারীরা। এই ঘটনা ঘিরে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট পার্টি অফিস চত্বরে চরম নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপর সেখানে হাজির হয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন তিনি।
কালীঘাটে সিআইডি হানা হতেই বিস্ফোরক কল্যাণ!- (Kalyan Banerjee)
পেশায় আইনজীবী কল্যাণ বলেন, “এখানে যারা এসেছে সব বিজেপি-র লোক। শুভেন্দু অধিকারী পাঠিয়েছে। চরম হিংসাত্মক ও প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠছে শুভেন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বাড়ি নেই, সেই সময় সুযোগ বুঝে ইচ্ছা করে হেনস্থা করার উদ্দেশে লোকজন পাঠানো হচ্ছে”।
আরও পড়ুনঃ অফিসে ক’টার মধ্যে ঢুকতে হবে, বেরোতে হবে কখন? এবার স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের জন্যেও কড়াকড়ি
এদিন সিআইডি-র তল্লাশির যুক্তি ও কারণ নিয়েও উপহাস করেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, “বৈঠকের রেজোলিউশনের কপি সার্চ করতে এসেছে। মিটিং যেখানে হয়, সেখানে কি রেজোলিউশনের কপি তুলে রাখা থাকে নাকি? তাহলে গাছতলায় যদি কোনও মিটিং হয়, সেখানে রেজোলিউশনের কপি ফেলে রেখে আসতে হয়! এটা সিআইডি-র বুদ্ধি!”

এদিকে বিধানসভার সই জাল কাণ্ডে বর্তমানে তোলপাড় বাংলার রাজনীতি। মঙ্গলবার ফের সিআইডি তলব এড়িয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, চিঠি দিয়ে তিনি বলেছেন, এই মূহুর্তে কলকাতায় নেই বলে হাজিরা দিতে পারছেন না। সেই সঙ্গেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন এবং আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে এদিনই এই ঘটনার তদন্তে জোড়া অভিযান চালায় সিআইডি। একদিকে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া তৃণমূল পার্টি অফিসে হানা দেয় গোয়েন্দাদের একটি বিশাল টিম৷ অন্যদিকে ক্যামাক স্ট্রিকে অভিষেকের অফিসে হানা দেয় আরেকটি দল। এই জোড়া অভিযান ঘিরে মঙ্গল বিকেলে বাংলার রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল তৈরি হয়। এরপর এই ইস্যু কোনদিকে মোড় নেয় আপাত সেদিকেই সকলে তাকিয়ে।













