বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ইশারা করেছিলেন কথা হবে ফোনে। সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ালো তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ কলকাতার সভাপতি দেবাশীস কুমারের (Debasish Kumar)? খোয়া গেল সাংগঠনিক পদ। দলের এহেন সিদ্ধান্তের জেরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু। সত্যিই কি তাই নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য সত্য? কি বলছে সূত্র? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
সাংবিধানিক পদ হারালেন দেবাশিস কুমার
নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ইশারা পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পদহারা দেবাশিস কুমার। এতদিন দক্ষিণ কলকাতার জেলা তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব ছিল তারই কাছে। কিন্তু আচমকাই জেলা কমিটি ভেঙে দেওয়া হল। বদলে নতুন সভাপতি নিযুক্ত হলেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনা সামনে আসার পর অনেকেরই মতে, দেবাশিসের মত অভিজ্ঞ নেতাকে বাদ দিয়ে কেন নরমপন্থী আইনজীবীকে আনা হল? এখানেই শুরু প্রশ্নের। যদিও দেবাশিস বাবুর মত, দক্ষিণ কলকাতার জেলা তৃণমূলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল তাই আমায় সরানোর কোনো প্রশ্নই উঠছে না।
ফোন করার ইশারাতেই কাল হল দেবাশিসের
এদিকে সূত্র বলেছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করার জন্যই বেশ কিছু বদল আনা হচ্ছে। যদিও নির্বাচনের কারণে এই রদবদল নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আসলে সোমবার কলকাতা পুরসভায় এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলারদের সাথে দেখা করে তাদের সাথে সৌজন্য বিনিময় চলে। এরপরেই ফোন করে কথা বলার জন্য ইশারা করেন।
আরও পড়ুনঃ ‘মুঘল শাসক’ মমতার ক্লিনিক্যাল কনসাল্ট প্রয়োজন! তৃণমূলের অপশাসন নিয়ে বিস্ফোরক ইন্দ্রনীল
এই ঘটনার পরেই দেবাশিসের বদলে বৈশ্বানরকে দায়িত্ব দেওয়ার জেরে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। দায়িত্ব নেবার পরেই তিনি জানান, দক্ষিণ কলকাতা হল তৃণমূলের গড়। আগামীতে সেখানে সংগঠনকে আরও মজবুত ও শক্তিশালী ইবানানো থেকে বুথ স্তরের দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করে সমস্তটা বুঝে রাজনৈতিক কর্মসূচি এগোনো যায় বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতার বাড়ি বা বাসস্থান থেকে ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। কেন এত ত্রাণ একজায়গায় মজুত ছিল? কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে বাংলায় পট পরিবর্তনের কারণে দেবাশিস যাতে ধরা না পড়েন তার জন্য তাকে এখুনি বের করে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত অনেকেই মেনে নেবেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
















