বাংলা হান্ট ডেস্ক: দেখতে দেখতে বর্ষাকাল চলেই আসলো। এই সময় মানুষ নানান জায়গা ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন। তবে আপনি যদি চান শহরের কোলাহল ছেড়ে পাহাড়ের কোলে কিছুটা সময় কাটাতে প্রিয়জনের সঙ্গে। তাহলে আজকের প্রতিবেদনে রইলো এমন একটি জায়গার কথা। যেখানে আপনি প্রাণ খুলে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন (Travel)।
বর্ষায় ডুয়ার্সের এই ৫ জায়গা মুগ্ধ করবেই আপনাকে (Travel)
ঝালং: নদী ও পাহাড় কে দিয়ে ঘিরে রেখেছে এই সবুজ বনভূমি। এইখানে আসলে আপনি নদীর ধারে বসেই সময় কাটিয়ে দিতে পারবেন ঘন্টার পর ঘন্টা। পাশাপাশি অনুভব করতে পারবেন প্রকৃতির নিজস্ব শব্দ। গাছ-গাছালিতে ঘেরা এই স্থানে চুপ করে বসে থাকলে দেখতে পাওয়া যায় বউ জাতের পাখি। পাশাপাশি শোনা যায় টুক করে গাছ থেকে খসে পড়ে যাওয়া শুকনো পাতার শব্দ( Travel)।

আরও পড়ুন: মাছ-মাংস এর সামনে নস্যি! গরম ভাতের সঙ্গে এক প্লেট ডিম ভাপাই যথেষ্ট, দেখুন রেসিপি
সিসামারা: আলিপুরদুয়ার জেলার স্বল্পচেনা ঠিকানাটি ধীরে ধীরে পর্যটকমহলে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। সিসামারা পৌঁছোনোর পথেই মন ভাল হয়ে উঠবে সবুজের ছোঁয়ায়। যাত্রাপথেই দেখা মিলবে চা-বাগিচার। পাশাপাশি ডুয়ার্সের এই জায়গা থেকে শোনা যায় পাখির ডাক। দিনরাত কানে আসে ঝিঁঝির আওয়াজ আর রাতবিরেতে বুনো জন্তুর শব্দ।
মূর্তি নদী: ডুয়ার্সের অন্যতম আকর্ষণ এই নদীটি। তাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র। সরকারি অতিথিনিবাস তো আছেই। এখন সেখানে একাধিক ছোট-বড় রিসর্ট এবং হোমস্টে তৈরি হয়েছে। মূর্তি নদীর পাশে বসেই সময় কাটানো যায়। এখান থেকে লাটাগুড়ি বেশি দূর নয়।
মানাবাড়ি: মেঘের চাদর সরলে সূর্যাস্তের রং ছড়িয়ে দেয় রঙিন ছায়া। টুপ করে ছোট্ট পাহাড়ের কোলে ডুবে যায় সূর্য। প্রকৃতি এখানে অকৃত্রিম। কোলাহলবর্জিত এই স্থান হতে পারে প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার আদর্শ জায়গা।
ডালিমখোলা: চেলখোলা হয়ে পৌঁছোতে হবে ডালিমখোলা। পাহাড়ি লোকজন নদীকে বলেন ‘খোলা’। নদীকে কেন্দ্র করেই পর্যটনকেন্দ্রটি গড়ে উঠেছে। চারদিক বেশ নির্জন। হেঁটে ঘুরে দেখতে পারেন আশপাশের লোকালয় (Travel)।













