বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) ভাঙনের জল্পনা চলছিল। বুধবার সেই জল্পনা আরও জোরালো হল। ৬০ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি নিয়ে বিধানসভায় পৌঁছলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেওয়ার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর তা ঘিরেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
তৃণমূলের (Trinamool Congress) ভাঙন জল্পনা
বুধবার সকালে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক বিধায়ককে বিধানসভায় ঢুকতে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অরূপ রায়, ডোমজুড়ের তাপস মাইতি, মহেশতলা, কুলপি, কেশপুর, সামসেরগঞ্জ ও হরিহরপাড়ার বিধায়করা। উপস্থিত ছিলেন লালগোলার বিধায়ক আব্দুল আজিজও।
এছাড়াও বিধানসভায় আসেন শিউলি সাহা, রিয়াজ হুসেইন, ভগবানগোলার বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, আক্রুজ্জামান, দিনেন রায়, সাবিনা ইয়াসমিন এবং পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর জানা। হাওড়া জেলার তিন বিধায়কও এদিন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অরুণাভ সেন এবং সমীর পাঁজার নামও রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে এই বিষয়টি যে, ঋতব্রতের পিছন পিছন তৃণমূলের (Trinamool Congress) প্রতীকে জয়ী হওয়া একাধিক বিধায়ক বিধানসভায় প্রবেশ করেন। এর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে ভাঙনের জল্পনা আরও বেড়ে যায়। যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে বেশিরভাগ বিধায়কই কোনও স্পষ্ট মন্তব্য করতে চাননি। তাঁদের দাবি, তাঁরা বিধানসভায় নিজেদের কাজের জন্য এসেছেন। বিরোধী দলনেতা কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত দলই নেবে বলেও জানান তাঁরা।
তবে দলের (Trinamool Congress) নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসেবে স্বীকার করলেও বিরোধী দলনেতার নাম বলতে অনেকেই এড়িয়ে যান। আর সেই কারণেই রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়ছে।জানা গিয়েছে, ৬০ জন বিধায়কের সই-সহ একটি চিঠি স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে স্পিকার ওই বিধায়কদের ডেকে তাঁদের অবস্থান জানতে চাইতে পারেন বলেও মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই এদিন একে একে বহু বিধায়ক বিধানসভায় পৌঁছন।

আরও পড়ুনঃ নিজের দফতরে ডাকলেন না, সরাসরি ডিজিপির ঘরে শুভেন্দু! নবান্নে এই বৈঠক ঘিরে বাড়ছে জল্পনা
এখন নজর স্পিকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। কারণ এই চিঠি জমা পড়লে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল (Trinamool Congress)।













