খুঁজছে পুলিশ,জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা! এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ ‘টুলু’

Published on:

Published on:

Tulu Mondal approaches Calcutta High Court fearing arrest
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে (Tulu Mondal) ঘিরে বাড়ছে চাপ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। যে কোনও সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গ্রেফতারি পরোয়ানাকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন টুলু মণ্ডল। শুধু পরোয়ানা বাতিলের আবেদন নয়, দ্রুত মামলার শুনানির আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।

গ্রেফতারি এড়াতে হাইকোর্টে টুলু (Tulu Mondal)

বীরভূমের টুলু মন্ডলের আবেদনে সাড়া দিয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়েছেন, আজ দুপুর ২টোয় মামলার শুনানি হবে।
টুলুর হয়ে হাই কোর্টে মামলা করেছেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। গ্রেফতারি পরোয়ানার পাশাপাশি তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন টুলু। অন্যদিকে, সিউড়ির অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালত (এসিজেএম কোর্ট) শুক্রবারের মধ্যে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজিরা না দিলে তাঁকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।
কিন্তু আদালতের এই নির্দেশের পরেও এখনও টুলুর কোনও খোঁজ নেই। তিনি কোথায় রয়েছেন, তা এখনও জানতে পারেননি তদন্তকারীরা। আজ সকালে সিউড়ির সুভাষপল্লি এলাকায় টুলুর বাড়িতে নোটিস দিয়ে এসেছে প্রশাসন। ওই নোটিসে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সিউড়ি আদালতে হাজির হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি ইন্টারপোলের ‘রেড কর্নার’ নোটিসও জারি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ সাড়ে ২৮ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকেই তদন্তকারীদের নজরে চলে আসেন টুলু। এর পর থেকে টুলুর সম্পত্তির খোঁজে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত সম্পত্তি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tulu Mondal approaches Calcutta High Court fearing arrest
আরও পড়ুন : বাড়িতে ফ্রিজ, এসি, বাইক থাকলে বাতিল হবে রেশন কার্ড? আগেভাগে জেনে নিন শর্ত

এর আগেও নিরাপত্তা এবং রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন টুলু মণ্ডল। এবার সরাসরি গ্রেফতারি পরোয়ানাকে চ্যালেঞ্জ করে ফের উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ কী নির্দেশ দেন, এখন সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে টুলু হাজির হন কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের।