বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কয়লা পাচার মামলায় এবার বড় পদক্ষেপ নিল ED (Enforcement Directorate)। লালা সিন্ডিকেটের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ নামে দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের দাবি, এই দু’জন সরাসরি কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং লালার মাধ্যমেই নিজেদের বেআইনি সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন।
লালার নেটওয়ার্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তাঁরা, দাবি ইডির (Enforcement Directorate)
যদিও এই দুই অভিযুক্তের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পুরোপুরি প্রকাশ্যে আসেনি, তবে তদন্তকারীদের (Enforcement Directorate) দাবি, লালার নেটওয়ার্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবার চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হবে। সেখানে তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবেন ইডির আইনজীবীরা। আদালত অনুমতি দিলেই এই মামলায় আরও জোরদার হবে তদন্ত।
শুধু পাচারকারীদের নয়, এই মামলায় প্রশাসনিক যোগসূত্র খোঁজার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে ইডি। গত বছর কয়লা পাচার নিয়ে নতুন করে মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন স্তরে তদন্ত শুরু হয়েছে। সোমবার এই দুই অভিযুক্তের পাশাপাশি বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকেও তলব করে ইডি। তাঁকে দিনের দিনই ইডি (Enforcement Directorate) দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগেই গত সপ্তাহে ওই পুলিশকর্তার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুনঃ মিঠুন চক্রবর্তীকে সামনে রেখে সংসদে নতুন সমীকরণ? কী পরিকল্পনা বিজেপির?
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। রাজ্যের বিভিন্ন রেল সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর প্রথমে আয়কর দফতর এবং পরে সিবিআই এই মামলার তদন্তভার নেয়। সেই তদন্তেই উঠে আসে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নাম। এর আগেও গরু পাচার মামলার অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে লালার যোগসূত্র মিলেছিল। এবার কয়লা পাচার মামলাতেও সেই লালার ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করল ইডি (Enforcement Directorate)।












