বাংলা হান্ট ডেস্ক: জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের আধার কার্ড আর পরিচয় পত্র হিসেবে গৃহীত হবে না। বরং ভোটার কার্ড বা বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন এর ভিত্তিতেই জনকল্যাণমূলক প্রকল্প গুলির সুবিধা মিলবে (Voter ID)। নেহাত কোন জল্পনা নয়, মঙ্গলবার আবারও এ কথা বলে দিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজমন্ত্রীর রাজীব রঞ্জন সিংহ ওরফে লাল্লুন সিংহ।
আধার নয়, এবার কোন নথিতে মিলবে প্রকল্পের টাকা? (Voter ID)
তিনি জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে রাজমন্ত্রক অধীনস্থ জনকল্যাণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ও হাতে অর্থ তুলে দিতে ভোটার পরিচয় পত্র ও বায়োমেট্রিক প্রমাণই গ্রহণযোগ্য হবে (Voter ID)। গ্যাংটক এ সিকিম কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রোডিউসার্স ইউনিয়ন লিমিটেড আয়োজিত অনুষ্ঠানের যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজীব রঞ্জন।
সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। পাশাপাশি শুক্রবার দিল্লিতেই একই মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল তাকে। এস আই আর এর অন্যায় ভাবে কোটি কোটি ভোটারকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে এখন সরব বিরোধীরা। সেই আবহাওয়া এই ঘোষণা নিয়ে নতুন করে কাটছাঁট শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া লোকজন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা আর পাবেন কিনা তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিচার বিশ্লেষণ।

আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমে বাড়তি ট্রেন, মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি নম্বর বদল দক্ষিণ-পূর্ব রেলের
সরকারের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত এই নিয়ে কোন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। তবে রাজীব রঞ্জনের বক্তব্য, ” সুবিধাভোগীদের অর্থ প্রদান করতে বর্তমানে আধার ভিত্তিক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সুবিধাভোগী শনাক্তকরণের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে আর গণ্য করা হবে না সেটিকে”।
একই সঙ্গে আধার বর্তমানে সুবিধাভোগীদের অর্থ প্রদানে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ কথা বলছেন জনাব সিং। এর আগে দিল্লিতে আধার কার্ডের সহজ উলম্ব তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন রাস্তার মোড়ে মোড়ে আধার তৈরি করা সম্ভব। কেউ চাইলেই পাঁচ মিনিটের মধ্যে এই কার্ড তৈরি করে নিতে পারেন।
পাশাপাশি এবার স্পষ্ট ভাষায় রাজিব রঞ্জন জানিয়েছেন, সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধাভোগীদের পরিচয় পত্র হিসেবে ভোটার কার্ড (Voter ID) বা ভোটার পরিচয়পত্রের নম্বরে পাশাপাশি, বায়োমেট্রিক প্রমাণও লাগবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এই অর্থ প্রদান করা হবে সুবিধাভোগীদের। তার দাবি এই পরিবর্তনের ফলে শুধুমাত্র যোগ্যরাই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
পাশাপাশি বাদ পড়ে যাবে ভুয়া নাম গুলো। যাচাই করার প্রক্রিয়া এর ফলে মজবুত হবে। তারই সঙ্গে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের স্বচ্ছতা বাড়বে। এছাড়া ২০২৬-৩১ সময়কালের জন্য,২.৫৫ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং চিরাচরিত স্থানীয় সংস্থাগুলির জন্য মোট ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দের সুপারিশ করেছে ষোড়শ অর্থ কমিশন (Voter ID)।












