বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চলতি বছরই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বেতন সংশোধনের জন্য অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নয়া পে কমিশনের ঘোষণার পর একদিকে যেমন খুশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা, অন্যদিকে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
সরকারি কর্মীদের বকেয়া সংক্রান্ত আপডেট | Dearness Allowance
প্রসঙ্গত, কোভিড অতিমারীর সময় জরুরিকালীন ভিত্তিতে সরকারি কর্মীদের ডিএ বন্ধ করেছিল সরকার। এই নিয়ে আগেও একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এবার ফের এই ইস্যু অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) কাছে তুলল সরকারি কর্মী সংগঠন। কোভিডকালের বকেয়া ১৮ মাসের ডিএ-র কথা বৈঠকে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সম্প্রতি দেহরাদুনে অনুষ্ঠিত নয়া পে কমিশনের সাম্প্রতিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও তাঁদের সহযোগী সংগঠনগুলি কোভিডকালে বকেয়া ডিএ-র দাবি তুলেছিল। এদিকে ইতিমধ্যেই ১৮ মাসের বকেয়া নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সরকার।
সরকার জানিয়ে দিয়েছে, অতিমারীর সময়ের ওই ১৮ মাসের ডিএ/ডিআর অর্থাৎ মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ বাবদ কোনও অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া হবে না। কারণ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে সংসদ ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাজেটের ওপর তৈরি হওয়া অতিরিক্ত আর্থিক চাপ ও পরবর্তী অর্থবছরগুলিতে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাবের কারণেই এই বকেয়া টাকা দেওয়ার বিষয়ে কোনও প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে না।
এর আগে ২০২০ সালে সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়েছিল, কোভিড-১৯ থেকে উদ্ভূত সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রদেয় ডিএ ও কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনভোগীদের ডিআর-এর অতিরিক্ত কিস্তি, যা ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে প্রাপ্য, তা প্রদান না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১ জুলাই ২০২০ ও ১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে প্রাপ্য বকেয়ার অতিরিক্ত কিস্তিও না দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সেই সময়।

করোনাকালে তিন কিস্তির অর্থাৎ ১৮ মাসের ডিএ বন্ধ রাখা হয়েছিল। সরকারের উপর আর্থিক চাপ থাকায় সেই সময় ২০২০ সালের দু’টি এবং ২০২১ সালের একটি ডিএ কেন্দ্রীয় কর্মীদের দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে বকেয়া টাকা দেওয়ার কথা ভাবা হবে। যদিও এই নিয়ে নিশ্চিত কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি সেই সময়েও।













