মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষকদের জন্য সুখবর! রবিবারে খাতা দেখলে মিলবে ছুটি,পর্ষদের নির্দেশিকা জানুন

Updated on:

Updated on:

WBBSE guidelines if you check the answer scripts on sunday you get a holiday
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: আর কয়েকটা দিন। তারপর শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে এই পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে প্রতিবছরের মতন এই বছরও শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে পর্ষদ। এই নির্দেশিকা জানানো হয়েছে, প্রতিবছরের মতন এ বছরও পরীক্ষক, প্রধান পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়াদের কাজের সুবিধার্থে অন ডিউটি ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এই বছর বিজ্ঞপ্তিতে স্বস্তির খবর হল ছুটির দিনে কাজের বিনিময়ে বিশেষ ছুটি পাওয়া যাবে। অর্থাৎ খাতা দেখা বা জমা দেওয়ার কাজে যাদের রবিবার বা অন্য কোন সরকারি ছুটির দিনে ব্যস্ত থাকবেন, তাদের জন্য পর্ষদ কম্পেনসেটরি লিভ রেখেছে।

রবিবারে খাতা দেখলে ছুটি! মাধ্যমিক পরীক্ষকদের জন্য নির্দেশিকা পর্ষদের (WBBSE)

চলতি বছর শিক্ষা মহলে এই নির্দেশিকা বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ পরীক্ষার খাতা বা নম্বর জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় সীমা মেনে চলতে গিয়ে অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ছুটির দিনও কাজ করতে হয়। যার কারণবশত এবার এই বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা করেছে পর্ষদ। আসুন জেনে নিন কাদের জন্য এবং কারা কারা এই ছুটির জন্য বরাদ্দ হয়েছে। পাশাপাশি রবিবার কাজের নিয়মটি ঠিক কী (WBBSE)।

WBBSE guidelines if you check the answer scripts on sunday you get a holiday

আরও পড়ুন: মাঘ মাসের শুরুতেই পকেটে চাপ মধ্যবিত্তের! বাড়ল সোনার দাম, জানুন আজকের লেটেস্ট রেট

রবিবার বা ছুটির দিনে কাজের বিশেষ সুবিধা: সরকারি দিনে ছুটির কাজ করলে তার বিনিময়ে ছুটি পাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা থাকে। তবে সেই ধোঁয়াশায় এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে কাটিয়ে দিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, মাধ্যমিকের খাতা সংক্রান্ত কাজের জন্য যদি কোন শিক্ষক অথবা শিক্ষিকা রবিবার কিংবা ছুটির দিনে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়। তাহলে তিনি কম্পেনসিটরি লিভ পাবেন।

এই ছুটি মূলত প্রধান পরীক্ষক, সাধারণ পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার দের জন্য প্রযোজ্য। আর এই অর্জিত ছুটি ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে নিতে হবে। তবে সংশ্লিষ্ট দিনে উপস্থিতি প্রমাণপত্র সহ প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন করতে হবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলিতে এই ছুটি নেওয়া যাবে না। পরীক্ষার দিনগুলো বাদ দিয়ে যে কোনৎ কাজের দিনে ছুটি নেওয়া যাবে।

প্রধান পরীক্ষকদের জন্য ছুটির তালিকা:

তবে মাধ্যমিক উত্তরপত্র মূল্যায়নে প্রধান পরীক্ষকদের দায়িত্ব সব থেকে বেশি থাকে। যার কারণবশত তাদের জন্য সর্বোচ্চ ১৩ দিন পর্যন্ত অন ডিউটি ছুটি বরাদ্দ করা হয়েছে। আর এই ছুটি গুলি ধাপে ধাপে বিভিন্ন কাজে ভাগ করা হয়েছে। সেই বিভক্তি গুলো দেখে নিন। বোর্ডের মিটিং এবং পরীক্ষকদের মধ্যে খাতা বিতরণের জন্য ১ দিন করে মোট ২ দিন। পাশাপাশি পরীক্ষকদের কাছ থেকে দুই কিস্তিতে খাতা ফেরত নেওয়ার জন্য ২ দিন। এছাড়াও স্ক্রুটিনির ব্যাপক কাজের জন্য সর্বোচ্চ ৫ দিন। বোর্ড অফিসে নম্বর জমা ২ কিস্তি এবং অনলাইনে মার্কস আপলোড করার জন্য যথাক্রমে ২ দিন করে মোট ৪ দিন করে ছুটি নিতে পারবেন। এছাড়াও রেজাল্ট প্রকাশের আগে যদি মার্কস ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয় তবে খাতার সংখ্যার ওপরে ভিত্তি করে এক থেকে দুদিন অতিরিক্ত অন ডিউটি পাওয়া যাবে। পাশাপাশি পিপিআর ও পি পি এস সংক্রান্ত কাজের জন্য দুদিন বরাদ্দ করা হয়েছে।

পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়াদের অন ডিউটির নিয়ম:

সাধারণ পরীক্ষকদের খাতা জমা ও খাতা আনা দেওয়ার পর ভিত্তি করে ছুটির হিসাব করা হবে। এবং খাতা সংগ্রহ করতে যাওয়ার জন্য একদিন অন ডিউটি ছুটি পাওয়া যাবে। পাশাপাশি খাতা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে উত্তরপত্রের সংখ্যার উপর নির্ভর করে ছুটি মিলবে। অর্থাৎ যাদের কাছে ৭৫ টির বেশি খাতা থাকবে তারা জমা দেওয়ার জন্য দুদিন সময় পাবেন (মোট ৩ দিন) । আর যাদের কাছে খাতার সংখ্যা ৭৫ অথবা তার কম হবে তারা জমা দেওয়ার জন্য একদিন পাবেন (মোট ২দিন)। তাছাড়া প্রধান পরীক্ষককে অনলাইনে নম্বর আপলোডে কাজে সহায়তা করলে স্ক্রুটিনিয়াররা অতিরিক্ত একটি দিন করে ছুটি পাবেন। পাশাপাশি ডিসট্রিক কনভেনার ও ভেনু সুপারভাইজাররাও তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের জন্য দিনগুলিতে অন ডিউটি সুবিধা পাবেন (WBBSE)।