বাংলা হান্ট ডেস্ক: দেখতে দেখতে চলে আসল বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি দল একে অপরকে টেক্কা দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। পাশাপাশি বঙ্গে ভোটের আগে এবার কোন রাজনৈতিক দল জিতবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গিয়েছে (West Bengal Election)। তবে এবার বড়বাজারে পাইকারি আবিরের দোকানে চাহিদা দৌড়ে লাল রং বাকি দুটি রঙের তুলনায় বেশ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
বড়বাজারে রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে, পিছিয়ে লাল—গেরুয়া বনাম সবুজের টক্কর (West Bengal Election)
দোল পর্ব চলে গেলেও আসন্ন নির্বাচনেকে কেন্দ্র করে আবিরের চাহিদা বাজারে কমেনি। এ মাসে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে (West Bengal Election)। পাশাপাশি বছরের শেষের দিকে রয়েছে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। তাই এখন থেকেই আবিরের বস্তা সাজিয়ে রাখছেন বড়বাজারে খ্যাংরা পট্টি আবিরের পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা। তবে চারিদিকে যখন ভোটের পারদ চড়তে শুরু করেছে। সেই দিকে নজর রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। কারণ এবছর বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হবে ৪ মে।

আরও পড়ুন: একবার ট্রাই করলেই অভ্যাস হয়ে যাবে, মুসুর ডালের পাতুরির এই সহজ রেসিপি
সেই দিকে নজর রেখেই এখন থেকে বস্তায় বস্তায় আবির মজুদ রাখতে শুরু করেছেন সকল ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কোন বস্তার বেশি চাহিদা থাকছে গুদামে সেই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে নেওয়া হলে জানা যায়, বর্তমানের ট্রেন্ড বুঝেই সকল রং ব্যবসায়ীরা আবির তুলছেন। তবে সূত্রের খবর, আগাম মজুদের তালিকায় সব থেকে বেশি সবুজ আবিরের বস্তা স্টক করা হয়েছে।
অপরদিকে তৃণমূল জিতলে উড়বে সেই আবির। পাশাপাশি কম যাচ্ছে না গেরুয়া রঙের আবিরও। বিজেপির জয়ের পরে সেই আবির দরকার। কিন্তু সবুজ ও গেরুয়ার যতটা পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। লালের পরিমাণ তার থেকে অনেকটাই কম রয়েছে। তাই আপাতত পাল্লা ভারী রয়েছে সবুজ ও গেরুয়া রঙের আবিরে।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান “এবার পালের হাওয়া কোনদিকে বইছে বোঝা যাচ্ছে না। তাই সবুজ ও গেরুয়া আবির বেশি করে রাখা হচ্ছে।” তাহলে লাল আবির কি একদমই রাখছেন না? প্রশ্ন শুনে বিক্রেতা মিচকি হেসে বলেন, “দোলের সময় কিছু লাল আবির রাখা হয়েছিল। সেই আবিরই সবটা বিক্রি হয়নি।”
পাশাপাশি আবির ব্যবসায়ী পার্থ সামন্ত জানালেন, “লড়াইয়ের ময়দানে বামেরা নেই। তাহলে আলাদা করে লাল আবির মজুত করে লাভও নেই। সবুজ ও গেরুয়া আবিরই রাখছি। তৃণমূল বা বিজেপি যেই জিতুক, এই দুই আবিরের চাহিদা থাকবেই (West Bengal Election)।”












