বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মীদের পঞ্চম পে কমিশনের DA মামলা (Dearness Allowance)। এদিকে রাজ্যে নতুন সরকার নিয়ে এসেছে নয়া পে কমিশন। তবে সরকারি কর্মীদের প্রশ্ন বকেয়া ডিএ নিয়ে। আদালতের নির্দেশে রাজ্য কবে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া টাকা মেটাবে সেই নিয়ে চর্চার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নবান্নের। রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের একাংশের বকেয়া ডিএ (West Bengal Government DA) দিতে শুরু করল রাজ্য সরকার।
ডিএ মেটাতে পদক্ষেপ করল নবান্ন | West Bengal Government DA
নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বকেয়া টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যদিও একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অবসর নেওয়া কর্মীরাই এই বকেয়া টাকা পাচ্ছেন। সমস্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্মীকে একসাথে বকেয়া দেওয়া হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, যাঁরা ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের মধ্যে চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন, তাঁরাই এই দফায় ডিএ-এর টাকা পাচ্ছেন।
বহু প্রতীক্ষার পর ডিএ নিয়ে সুখবর এলেও রয়েছে একাধিক প্রশ্ন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কত শতাংশ হারে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এই সংক্রান্ত কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি না হওয়ায় ঠিক কী নিয়মে এই হিসাব কষা হচ্ছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় সংগঠনগুলি। তাদের কাছে এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য পৌঁছায়নি বলেই খবর।
উল্লেখ্য, ডিএ ইস্যুতে আলোচনার জন্য আগামী ১ জুন নবান্নে সরকারি কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে বর্তমান কর্মীরা কবে থেকে বকেয়া ডিএ পাবেন, তা স্থির করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলায় তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল, বকেয়া ডিএ-র ১০০ শতাংশই মেটাতে হবে। ২৫% মেটানোর পর বাকি অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই লক্ষ্যে একটি কমিটিও গঠন করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনার আগে বড় ছাঁটাই! দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে ২ লক্ষ মহিলার নাম
যদিও সরকারি কর্মীদের দাবি বকেয়া ডিএ মেটানোর কাজে খুব একটা অগ্রগতি হয়নি। পাশাপাশি যে পরিমাণ বকেয়া মেটানো হয়েছে তাও সকল কর্মী পায়নি বলে অভিযোগ। এবার সোমবারের বৈঠকে সেই ডিএ জট খোলে কী না সেদিকে নজর থাকবে সরকারি কর্মীদের।













