কীভাবে মেটানো হবে বকেয়া DA? ১৩ এপ্রিলের মধ্যে জানাতে বলল অর্থ দফতর

Published on:

Published on:

dearness allowance(159)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকারি কর্মচারীদের পর এবার শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটাতে তৎপর নবান্ন। রাজ্যের শিক্ষকদের ডিএ ইস্যুতে স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরে চিঠি দিয়েছে অর্থ দফতর (Government of West Bengal Finance Department)। কী পদ্ধতিতে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের ডিএ মেটানো হবে তা জানতে চেয়ে এসেছে চিঠি। ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ (এসওপি) আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে জানানোর কথা বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত? Dearness Allowance

গত পয়লা এপ্রিল রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ কীভাবে দেওয়া হবে, সেই নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে রাজ্যের অর্থ দফতর। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়।

গত সোমবার উচ্চশিক্ষা দফতর তরফে রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। এরই মধ্যে এবার অর্থ দফতর এসওপি জানতে চেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের পাল্টা প্রশ্ন কেন এতটা সময় লেগে যাচ্ছে সেই নিয়ে।

এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে দিয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘১ এপ্রিল নবান্নের বৈঠকেই দ্রুত SOP তৈরি করে এবং সম্ভাব্য খরচের হিসেব করে পাঠানোর কথা বলেছিল অর্থ দফতর। দশ দিন পরও এখনও সে কাজ করা গেল না। এটাই আশ্চর্যের।’’

Dearness Allowance

আরও পড়ুন: আজ বিশ্রাম, দক্ষিণবঙ্গে সোম থেকে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস: আজকের আবহাওয়া

জানা যাচ্ছে, এসওপি ও তালিকা তৈরির কাজ চলছে। সমস্যা হচ্ছে বর্তমানে ভোটের আবহে রাজ্য জুড়ে বহু আধিকারিকেরা নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাড়োয়ার সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এই সময়ের বকেয়া ডিএ শীঘ্রই পেতে চলেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।