ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়ে হয়রানি অতীত! রোগীদের সুবিধার্থে নতুন নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

Published on:

Published on:

West Bengal Health Department new guideline for blood banks to stop harassment of patients
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ব্লাড ব্যাঙ্কে (Blood Bank) রক্ত পেতে গিয়ে অনেক সময় হয়রানির সম্মুখীন হন রোগীরা। প্রয়োজনীয় রক্তের খোঁজে অনেক সময় এক ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে আরেক ব্লাড ব্যাঙ্কে ঘুরতে হয় রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের। এবার সেই সমস্যা দূর করতে তৎপর স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। জারি করা হয়েছে কঠোর নির্দেশিকা।

ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির জন্য জারি কড়া নির্দেশিকা | (Blood Bank)

রাজ্য জুড়ে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে রোগীদের রক্ত পেতে যেন আর হয়রানির শিকার না হতে হয়। এবার এই বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সেখানে বলা হয়েছে, যদি কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে নির্দিষ্ট রক্ত বা রক্তের উপাদান মজুদ না থাকে, তাহলে নির্দিষ্ট রিকুইজেশনের ভিত্তিতে কোনও রকম সময় নষ্ট না করে তা সংশ্লিষ্ট ব্লাড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জোগাড় করে দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘আপনারা কি অভিষেকের মুখ দেখতে চান?’ অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ফের হাইকোর্টের তোপের মুখে ব্যাঙ্ক

কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে নির্দিষ্ট রক্ত বা রক্তের উপাদান না থাকলে পোর্টালের মাধ্যমে সেই রক্ত বা তার উপাদান সংশ্লিষ্ট ব্লাড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জোগাড় করে রোগীকে দিতে হবে। রোগী বা তাঁর পরিজনকে কিছুতেই হয়রান করা যাবে না। তাঁদের একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে আরেকটি ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানো যাবে না।

এছাড়া বলা হয়েছে, থ্যালাসেমিয়া কিংবা অন্য কোনও রক্তবাহিত রোগের রোগীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে রক্ত দিতে হবে। পাশাপাশি ব্লাড ব্যাঙ্কের পরিবেশ হতে হবে রোগীবান্ধব। কোনও রোগী কিংবা তাঁর আত্মীয়ের সঙ্গে যদি খারাপ ব্যবহার করা হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Blood Bank

এই নির্দেশিকা বাদে, অগাস্টের শুরুতে আরও একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বাস্থ্য দফতর। সেখানে বলা হয়েছিল, প্রত্যেক রক্তদান শিবিরে কোন গ্রুপের কত ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেই তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। রক্ত সংগ্রহ সংক্রান্ত তথ্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাধ্যতামূলকভাবে স্বাস্থ্য দফতরের কাছে জমা করতে হবে।

এবার রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির জন্য আরও একটি কড়া নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর। এই পদক্ষেপের ফলে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের অনেকটা সুরাহা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।