বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জানুয়ারি অর্ধেক পেরোলেও সুপ্রিম কোর্ট তরফে ডিএ (Dearness Allowance) মামলার রায়দান নিয়ে কোনো আশার খবর আসেনি। রাজ্য সরকারের বঞ্চনা ইস্যুতে সমানে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের (Government Employees)। এদিকে কিছুদিন পরই বিধানসভা নির্বাচন। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ভোটকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনে উদ্যোগী হতে পারে।
যেকোনো বড় নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মীদের কথা মাথায় রেখে একাধিক ঘোষণা করে থাকে সরকার। এবারেও কী তেমনটাই হতে চলেছে? তাহলেই কী ভোটের আগেই কপাল খুলবে সরকারি কর্মীদের? কোনো স্পষ্ট আপডেট না এলেও ভোটমুখী রাজ্যে এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
ভোটের আবহে ভাগ্য খুলবে সরকারি কর্মীদের? Government Employees
অতীতেও বহুবার দেখা গিয়েছে ভোটের আগে কর্মীদের মন জয়ের চেষ্টা করে সরকার। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনাও এগিয়ে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে। আবার সম্প্রতি মন্ত্রী মানস ভূঁইয়ার করা মন্তব্য আরও জোরালো করেছে সেই সম্ভাবনা।
মমতার মন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজ্যের আর্থিক সঙ্গতি এবং সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন। এই নিয়ে সরকারি কর্মীদের মনে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও ডিএ মামলা নিয়ে কোনো সুখবর এখনও নেই।
গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে। তারপর থেকে ৩ মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও রায়দান হয়নি। বাংলার লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: আইপ্যাক বিতর্কের মধ্যেই তৎপর ED, ২৮০০ কোটির ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে গ্রেপ্তার কলকাতার ব্যবসায়ী
ডিএ মামলার রায়দান বা জাজমেন্ট এখনও সংরক্ষিত। অর্থাৎ, আইনি পথে কবে সুরাহা মিলবে, তা নিয়ে কোনো কিছু স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। একদিকে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা, অন্যদিকে ভোটের আগে মমতা সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয় কি না, সেই পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী।












