বাংলা হান্ট ডেস্ক: চিন ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের উল্লেখের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত (India)। ইতিমধ্যেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ভারত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে তার অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ বলে মনে করে এবং এই বিষয়ে মন্তব্য করার অধিকার অন্য কোনও দেশের নেই। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আগেও স্পষ্ট ছিল এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবে।
কী জানিয়েছে ভারত (India)?
‘অবৈধ দখলকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা’: বিদেশ মন্ত্রক চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরেরও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের অবৈধভাবে দখল করা ভারতীয় সার্বভৌম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বেশ কয়েকটি CPEC প্রকল্প গেছে। ভারত অভিযোগ করেছে যে, চিন ও পাকিস্তান এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে তাদের অবৈধ দখলকে সুসংহত ও বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যা নয়াদিল্লি কোনও অবস্থাতেই মেনে নেবে না।
Our response to media queries regarding unwarranted references to Indian Union Territory of Jammu & Kashmir in the Joint Statement between China and Pakistan ⬇️
🔗 https://t.co/HfkNLnQU9L pic.twitter.com/RLJfT5E1Tx
— Randhir Jaiswal (@MEAIndia) May 26, 2026
‘জল সহযোগিতা’ নিয়েও প্রশ্ন: জানিয়ে রাখি যে, চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে কথিত ‘ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার রিসোর্সেজ কোঅপারেশন’ প্রসঙ্গে ভারত জানিয়েছে যে, দুই দেশের মধ্যে কোনও সীমান্ত নেই। তাই এই ধরণের সহযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই দাবি ভিত্তিহীন এবং ভারত এই ধরণের যেকোনও প্রচেষ্টাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
১৯৬৩ সালের চুক্তি আবারও অবৈধ ঘোষিত: উল্লেখ্য যে, ভারত আবারও পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে হওয়া তথাকথিত ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তিটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেছে। ভারত জানিয়েছে যে, তারা এই চুক্তিকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি। নয়াদিল্লির মতে, পাকিস্তান অবৈধভাবে চিনের কাছে ভারতীয় ভূখণ্ড হস্তান্তর করেছে। যেটিকে ভারত এখনও তার ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে।
আরও পড়ুন: কোন দেশ জিতবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ? সামনে এল বড় ভবিষ্যদ্বাণী
সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনও আপস হবে না: এমতাবস্থায়,, চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে ভারত জানিয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও আপস করা হবে না। বিদেশ মন্ত্রক পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ অতীতেও ভারতের ছিল, বর্তমানেও ভারতের আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ভারত এটাও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই ধরণের আন্তর্জাতিক বিবৃতি ও প্রকল্পগুলির বিষয়ে দেশটি তার দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে।













