বিজেপির দলীয় ইস্তেহারের নেপথ্যে দল নয়, থাকবে অন্য কেউ! বড় চমক পদ্ম শিবিরের

Published on:

Published on:

What did Shamik Bhattacharya say about the BJP manifesto
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: যেকোনও নির্বাচনে, নির্বাচনী ইস্তেহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা আগামী পাঁচ বছরে কী কী কাজ করবে সেটাই থাকে নির্বাচনী ইস্তেহারে। আর সেই নির্বাচনী ইস্তেহার তৈরি করতেই এবার নতুন চমক রাজ্য বিজেপির। তারা সাধারণ মানুষের মত নিয়ে করবে নির্বাচনী ইস্তেহার (BJP Manifesto)। এতে জনসংযোগের দিক থেকে আরও একধাপ এগোল রাজ্য বিজেপি।

রাজ্য বিজেপির নির্বাচনী (BJP Manifesto) ইস্তেহারে বড় চমক

রাজ্য বিজেপির তরফে এবার উদ্যোগ নেওয়া হলো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তাদের সমস্যা শোনার। এমনটাই জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন মানুষের পরামর্শ মেনে এবার নির্বাচনী ইস্তেহার তৈরি করা হবে।

সাধারণ মানুষের কী সমস্যা, তাদের কি চাহিদা সেটা এবার নির্বাচনী সংকল্পপত্রে তুলে ধরবে রাজ্য বিজেপি। এর জন্য তারা রাজ্যের ১০০০ টি জায়গায় ড্রপবক্সের ব্যবস্থা করছে। আর শুধু ড্রপবক্স নয় তার সঙ্গে থাকবে ট্রোল ফি নম্বর, যে নাম্বারে ফোন করে দেওয়া যাবে এ ব্যাপারে পরামর্শ। নাম্বারটি হল ৯৭২৭২৯৪২৯৪। এর সঙ্গে দেওয়া থাকবে একটি মেইল আইডি।

আরও পড়ুন:বিরাট-রোহিতের ডিমোশন! BCCI-র সেন্ট্রাল কন্ট্রাক্ট থেকে বাদ ঈশান সহ এই ৪ খেলোয়াড়? মিলল আপডেট

এছাড়া আরও ব্যবস্থা থাকছে। যেমন কিউ আর কোড দিয়ে দিচ্ছে বিজেপি। সেই কিউআর কোড স্ক্যান করে বিজেপির ওয়েবসাইটে গিয়ে জানানো যাবে পরামর্শ। বিজেপি চাইছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে। তাই তারা এই ধরনের অভিনব উদ্যোগ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন:একথালা ভাত সাবাড় হবে নিমেষে, রইল টক-ঝাল পাঁঠার মাংসের ভর্তার রেসিপি

What did Shamik Bhattacharya say about the BJP manifesto

রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই সরকারের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসীর মুক্তি যখন নিশ্চিত, তখন আপনারাও আপনাদের পরামর্শ দিন। ১৮ তারিখ পর্যন্ত পরামর্শ দেওয়ার জন্য রাজ্যের এক হাজারটি জায়গায় ড্রপবক্স থাকবে। শুধু ড্রপবক্স না, থাকবে টোল ফ্রি নম্বরও। এ ছাড়াও মেইল আইডি থাকছে। কিউআর কোড স্ক্যান করে বিজেপির ওয়েবসাইটে গিয়ে পরামর্শ জানানো যাবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প আনতে শিল্পবান্ধব রাজ্যের জন্য কি করতে হবে তার জন্য পরামর্শ চাইছি শিল্পপতিদের কাছ থেকে। দশ হাজার চিঠি লিখেছি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষকে। আশা করছি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে সংকল্পপত্র নিয়ে মানুষের কাছে যাব।”