বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাতে আর মাত্র দু’দিন মতো সময়। আগামী ১৬ অগাস্টের মধ্যে এলপিজি ই-কেওয়াইসি (LPG e-KYC) সেরে ফেলতে হবে। এই ডেডলাইনের মধ্যে যদি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়, সেক্ষেত্রে কী কী সমস্যা হতে পারে, সেই প্রশ্ন অনেক গ্যাস (LPG Gas) গ্রাহকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। এবার এই নিয়ে বড় আপডেট দিলেন অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন ও ইন্ডিয়ান এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিজন বিশ্বাস।
এলপিজি ই-কেওয়াইসি না করালে কী কী সমস্যা হবে | (LPG e-KYC)
১৬ অগাস্টের মধ্যে এলপিজি ই-কেওয়াইসি না করালে কি কানেকশন কেটে দেওয়া হবে? বেশি টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হবে? এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গ্রাহকদের মনে। এই বিষয়ে বিজন বলেন, তাঁদের কাছেও বিষয়টি পরিষ্কার নয়। কারণ এখনও অবধি কেন্দ্রের তরফে এই নিয়ে নির্দিষ্ট করে কোনও নির্দেশিকা আসেনি।
আরও পড়ুনঃ ধীরগতি নয়, এবার দ্রুত করতে হবে কাজ! স্মার্ট মিটার নিয়ে রাজ্যগুলিকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের
এলপিজি ই-কেওয়াইসি না করলে বেশি টাকায় গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হবে কিনা জিজ্ঞেস করায় বিজন জানান, ই-কেওয়াইসি না করলে কত টাকায় সিলিন্ডার কিনতে হবে তা তেল সংস্থা বা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়নি। তবে কোনও গ্রাহক যদি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেন সেক্ষেত্রে তাঁকে ঘরোয়া সিলিন্ডার বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কিনতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নাম ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে কী করতে হবে সেটাও জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন ও ইন্ডিয়ান এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র। তিনি বলেন, “অনেকেরই মৃত বাবা-মা বা অন্য কোনও আত্মীয়ের নামে গ্যাস কানেকশন থাকে। বছরের পর বছর ধরে এমনটাই রয়েছে। সেক্ষেত্রে ট্রান্সফার করতে হবে। এই জিনিসগুলি বন্ধ করতেই ই-কেওয়াইসি চালু করা হয়েছে।“
বিজন জানান, আইনগত বংশধর হলে গ্যাস কানেকশন ট্রান্সফারের খরচ কম, ঝামেলাও কম। সেক্ষেত্রে আলাদা করে সিকিউরিটি ডিপোজিট দরকার হবে না। যতদিন ধরে ভর্তুকি জমা পড়েছে, সেই অঙ্কটা হিসাব করে নাম ট্রান্সফার করতে হবে। তবে অন্য আত্মীয়ের থেকে যদি নাম ট্রান্সফার করতে হয়, সেক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিটের অঙ্ক বদলাতে পারে।

এক্ষেত্রে যদি ১৬ অগাস্টের মধ্যে নাম ট্রান্সফার না হয়, তাহলে কি কানেকশন কেটে দেওয়া হবে? এই বিষয়ে বিজন বলেন, না। এমনটা হবে না। ১৬ অগাস্টের আগেই নাম ট্রান্সফারের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেলে সেটি এন্ট্রি হিসাবে দেখানো হবে ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া অবধি কিছুতেই বাড়তি দাম দিয়ে গ্যাস কিনতে হবে না।
এদিকে অনেকে মনে করছেন, আগামী ১৬ অগাস্টের মধ্যেই গ্রাহকদের এলপিজি ই-কেওয়াইসি করিয়ে নেওয়া উচিত। এতে অযথা ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট এড়ানো সম্ভব হবে।













