বাংলাহান্ট ডেস্ক : দূরপাল্লার ট্রেনে সফর করলে খাবারও পাওয়া যায় সফরে। পছন্দমতো খাবার অর্ডার করলেই তা প্যান্ট্রিতে তৈরি করে পৌঁছে দেওয়া হয় যাত্রীদের সিট পর্যন্ত। কিন্তু এমন বহু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে যাত্রীদের খাবারের (IRCTC) অতিরিক্ত দাম নিয়ে অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। এমনকি অনেক সময় ১৫০ টাকা পর্যন্তও প্লেটের দাম বলে থাকেন বিক্রেতারা। কিন্তু ট্রেনের খাবারের আসল দাম কত সেটা কী জানেন?
ট্রেনে (IRCTC) কোন খাবারের কত দাম?
জানিয়ে রাখি, ট্রেনে বিক্রি হওয়া খাবারের দায় IRCTC দ্বারা নির্ধারিত। কোনও বিক্রেতা এর বেশি দামে খাবার বিক্রি করতে পারেন না। ট্রেন এবং স্টেশন অনুযায়ী দাম ভিন্ন ভিন্ন হয়। IRCTC ওয়েবসাইট অনুসারে, স্টেশনে থালি কিনলে ১০ টাকা কম দিতে হবে। কিন্তু ওই একই থালির দাম ট্রেনে ১০ টাকা বেশি।

আলাদা আলাদা ট্রেনে আলাদা দাম: মেইল, এক্সপ্রেস, হামসফর, রাজধানী, শতাব্দী, দুরন্ত, গতিমান, বন্দে ভারত, তেজসের মতো ট্রেনের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা খাবারের রেট রয়েছে। তবে মেইল, এক্সপ্রেস এবং হামসফর ট্রেনের (IRCTC) জন্য রয়েছে একই রেট এবং একই মেনু। এই ট্রেনগুলিতে চায়ের দাম স্টেশনে এবং ট্রেনে ৫ টাকা। টি ব্যাগের চা এবং কফির দাম ১০ টাকা।
আরও পড়ুন : শুধু দূরপাল্লার নয়, এবার লোকাল ট্রেনও ‘কবচ’এর সুরক্ষা, বড় উদ্যোগ রেলের
কীসের কত দাম: সকালে ব্রেকফাস্টে ট্রেনে কাটলেটের দাম ৪০ টাকা আর স্টেশনে তা ৩৫ টাকা। ইডলি, বড়া, উপমা, পোঙ্গল খেলে দিতে হবে ৪০ টাকা। আর অমলেটের দাম স্টেশনে ৪৫ টাকা এবং ট্রেনে ৫০ টাকা।
আরও পড়ুন : সত্য ঘটনার নামে ভুল কাহিনি! শাহিদের ছবি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে আদালতে গ্যাংস্টার-কন্যা
থালির ক্ষেত্রে ভেজ থালি নিলে ট্রেনে দিতে হবে ৮০ টাকা আর স্টেশনে ৭০ টাকা। ভেজ বিরিয়ানি স্টেশনে ৭০ টাকা, ট্রেনে ৮০ টাকা। ডিম থালির দাম ট্রেনে ৯০ টাকা এবং স্টেশনে ৮০ টাকা। চিকেন থালি নিলে ট্রেনে দাম ১৩০ টাকা এবং স্টেশনে ১২০ টাকা। ট্রেনে সফর করলে এই রেটের বেশি দেওয়া উচিত নয়। কেউ এই নির্ধারিত দামের বেশি চাইলে যাত্রীরা রেলওয়ে হেল্পলাইন ১৩৯-এ অভিযোগ জানাতে পারেন।












