বাংলা হান্ট ডেস্ক:রাজ্যসভায় তৃণমূল (Trinamool Congress ) কাদের প্রার্থী (TMC Candidate Of Rajya Sabha) করছে, সে নিয়ে এখন জল্পনা তুঙ্গে। নতুন মুখ পাঠানো হবে, নাকি পারফরমেন্সের বিচারে এগিয়ে থাকবে প্রার্থী, তা নিয়ে জোর রাজনৈতিক চর্চা চলছে। প্রাপ্তি বাছাই-এর ক্ষেত্রে বাঙালির আবেগকে গুরুত্ব দেবে তৃণমূল। তবে যারা অভিজ্ঞ এবং দলের বক্তব্য রাজ্যসভায় তুলে ধরতে পারবে এমন মুখকেই গুরুত্ব দেবে দল, সূত্রের খবর সেরকমটাই।
রাজ্যসভায় তৃণমূল (Trinamool Congress) কাদের প্রার্থী করবে এবার?
বিধানসভা ভোটের মাঝেই রাজ্যসভার পাঁচ সংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, সাকেত গোখেল, মৌসম বেনজির নূর ও সিপিএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। ১৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট হবে, বাংলা থেকে পাঁচটি আসনে ভোট হবে।
এবার প্রার্থীর ক্ষেত্রে কিছু বদল হতে পারে। কারণ একজন মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যসভার সংসদ, এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন। সুব্রত বক্সী নাও যেতে পারেন সংসদে, মৌসম বেনজির নূর কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। সাকিবকে পাঠানোর সম্ভাবনা খুব একটা বেশি নেই বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত প্রার্থী কারা হচ্ছে সেটা নিয়ে দল এখনও কিছু জানায় নি।
আরও পড়ুন:SIR-এর কারণে অনিশ্চিত শুনানি, কোর্ট রুমে নেই বিচারক, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
২০১৯ সালে ভোটে তৃণমূলের হয়ে পরাজিত হন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, সেইসঙ্গে আরও দুজন প্রার্থী পরাজিত হয়েছিল মৌসম বেনজির নূর ও অর্পিতা ঘোষ। এই তিনজনকেই রাজ্যসভায় পাঠায় তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০২১ সালে সংসদে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে বিষদগার করে দল ছাড়েন দীনেশ ত্রিবেদী, সেই জায়গায় পাঠানো হয় জহর সরকারকে। তিনি একজন অবসর প্রাপ্ত আমলা ছিলেন। আরজিকর আন্দোলনের সময় তিনি সাংসদ পদ ও দল ছেড়ে দেন।
আরও পড়ুন:‘আমার ছেলে তৃণমূল করে’, ‘জঙ্গি’ উমরের মায়ের দাবিতে শোরগোল

জহর সরকারের ফাঁকা হয়ে যাওয়া আসনে পাঠানো হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে গোয়া বিধানসভা ভোটের আগে সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন অর্পিতা ঘোষ, সেই জায়গায় পাঠানো হয় গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহোকে। কিন্তু তিনিও বেশী দিন স্থায়ী হননি। সেই জায়গায় আবার পাঠানো হয় আরটিআই এক্টিভিস্ট সাকেত গোখেলকে। এই দুটো আসনে বহুবার মুখ বদল হয়েছে। দেখা যাক এরপরে কে আসেন এই দুই আসনে আর মৌসম বেনজির নূর যেহেতু কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন তিনিও দল এবং সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।












