বাংলা হান্ট ডেস্ক: ইরানের ইসলামী সরকার কুস্তিগীর সালেহ মোহাম্মদীকে (Saleh Mohammadi) প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়েছে। এদিকে, সাঈদ দাভৌদি এবং মেহেদি ঘাসেমি নামে আরও দুই ব্যক্তিরও ফাঁসি হয়েছে। মূলত, সরকারবিরোধী এক বিক্ষোভ চলাকালীন দুই পুলিশকে হত্যার অভিযোগে এই ৩ জনকেই অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদের ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয়। সালেহ মোহাম্মদী-সহ বাকিদের গত ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম-এ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সালেহ মোহাম্মদী (Saleh Mohammadi) ২০২৪ সালে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন:
জানিয়ে রাখি যে, ১৯ বছর বয়সী সালেহ মোহাম্মদী ছিলেন একজন উদীয়মান ইরানি কুস্তিগীর। শুধু তাই নয়, তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এছাড়াও সালেহ মোহাম্মদী রাশিয়ার ক্রাস্নোয়ার্স্ক-এ সম্পন্ন হওয়া ২০২৪ সালের সাইতিয়েভ কাপ ফ্রিস্টাইল কুস্তি প্রতিযোগিতায় একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। উল্লেখ্য যে, সালেহ মোহাম্মদী ২০০৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁকে ইরানের রেসিং দলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচনা করা হত।

কুস্তিগীরের মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে মানবাধিকার সংগঠনগুলির বিক্ষোভ: এদিকে, মানবাধিকার সংগঠনগুলি ইরানের ইসলামী সরকারের এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রয়েছে বিধ্বংসী ওপেনার, দুরন্ত ফিনিশার, মারাত্মক স্পিনার! IPL ২০২৬-এ কতটা শক্তিশালী KKR?
ইরান হিউম্যান রাইটস এবং ইরানওয়্যার-সহ মানবাধিকার সংস্থাগুলি নিশ্চিত করেছে যে, নির্যাতন ও জোরপূর্বক আদায় করা স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে একজন পুলিশ আধিকারিককে হত্যার দায়ে সালেহ মোহাম্মদীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সংগঠনগুলি আরও জানিয়েছে যে, এমনটা করা বিচার প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য হল জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করা ও রাজনৈতিক ভিন্নমত দমন করা।
আরও পড়ুন: IPL ২০২৬-এর আগেই ‘বিরাট ঘোষণা’ কোহলির! প্রতিপক্ষ দলগুলিকে সতর্ক করে জানালেন…
এদিকে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামের আরও একটি সংস্থা জানিয়েছে যে, সালেহ মোহাম্মদীসহ ওই তিন ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিচারটি তড়িঘড়ি করে শেষ করা হয়েছে, যা যুক্তিযুক্ত নয়। এছাড়াও, সালেহ মোহাম্মদীর পরিবারও জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করেছে এবং মামলাটিতে একাধিক অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে।












