বাংলাদেশের দায়িত্ব পেয়েই তারিকের অ্যাকশন! বাতিল হবে ইউনূসের ১০০-রও বেশি সিদ্ধান্ত?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১০০-র বেশি সিদ্ধান্ত বাতিলের পথে। অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা মহম্মদ ইউনূস দেড় বছরে মোট ১৩২টি সিদ্ধান্ত জারি করেছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সিধ অধিকাংশই সংসদে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাস না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সূত্রের দাবি, প্রায় ২৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে এই নিয়মগুলির কার্যকারিতা শেষ হবে।

বাংলাদেশে (Bangladesh) বাতিল হবে ইউনূসের ১০০-রও বেশি সিদ্ধান্ত?

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব সংসদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্ত অনুমোদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সংস্কার, প্রশাসনিক কঠোরতা এবং বৈদেশিক সম্পর্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলিই বেশি আলোচনায় এসেছে, যার মধ্যে কিছু বিষয় ভারত ও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।

আরও পড়ুন: ভারতের সফরে মুগ্ধ ম্যাক্রোঁ! ‘ধুরন্ধর’-এর সুরে দিলেন বিশেষ বার্তা

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের নেতৃত্বে থাকা তারিক রহমান-এর দল এই সিদ্ধান্তগুলির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা শুরু করেছে। জানা গেছে, বিতর্কিত ও সংস্কার-সম্পর্কিত একাধিক সিদ্ধান্ত বাতিল করা হতে পারে এবং যেগুলি নিয়ে মতভেদ রয়েছে সেগুলির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। একই সঙ্গে জুলাই বিদ্রোহ সম্পর্কিত কিছু অধ্যাদেশ সংশোধনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের মধ্যে শেখ হাসিনা-র দল আওয়ামী লীগের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। নির্বাচনের পর বিভিন্ন জেলায় দলটি আবার কার্যক্রম শুরু করেছে, ফলে বিরোধী রাজনীতিতে তাদের সক্রিয় ভূমিকা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আপত্তি জানিয়েছে এবং সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Will more than 100 of Yunus' decisions be overturned in Bangladesh?

আরও পড়ুন: লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা! Embraer-Mahindra-র মধ্যে সম্পন্ন মেগা ডিল

জুলাই সনদে প্রস্তাব ছিল, কোনও ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি বা ১০ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকতে পারবেন না এবং বিচারক নিয়োগের ক্ষমতায় পরিবর্তন আনা হবে। এই প্রস্তাব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটও করেছিল, তবে বিএনপি তা মানতে অস্বীকার করে। অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগও শুরু হয়েছে, যার অংশ হিসেবে ভারত ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অধ্যাদেশ বাতিল ও সাংবিধানিক বিতর্ক আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।