বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে বাংলার সব থেকে আলোচ্য বিষয় হল যুব সাথী প্রকল্প (Yuva Sathi)। রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য এই ভাতা চালু করেছে তৃণমূল সরকার। এই স্কিমের আওতায় বহু যুবক যুবতী ইতিমধ্যে ১৫০০ টাকা করে পেয়েছেন। আবার অনেকে সেই টাকার অপেক্ষায় রয়েছেন। এবার এই টাকার অপেক্ষায় থাকায় যথারীতি নানান প্রশ্নের সূচনা তৈরি করছেন। কারণ অনেকের মনেই এই প্রশ্ন উঠছে, আসলেও সেই টাকা তারা পাবেন কিনা। অথবা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না কি সমস্যার কারণে এখনো টাকা ঢোকেনি তাদের অ্যাকাউন্টে। আপনিও যদি এই একই সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়ুন।
এপ্রিলে যুবসাথী নিয়ে বড় প্রশ্ন, টাকা ঢুকবে? কারা প্রথমে পাবেন (Yuva Sathi)
পশ্চিমবঙ্গে বেকার যুবক যুবতীদের জন্য চালু হওয়া নতুন প্রকল্প যুব সাথী (Yuva Sathi) নিয়ে বড় আপডেট সামনে এসেছে। জানা যায় বহু আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস এসেছে তাদের অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ক্রেডিট হয়েছে। তবে অনলাইনে আবেদন করলে আগে টাকা পাওয়া যাচ্ছে কিনা অথবা যারা অফলাইনে আবেদন করেছে তাদের দেরি হচ্ছে কিনা তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন জেলার থেকে খবর পাওয়া গিয়েছে, যে প্রতিটি ব্যাচ অনুযায়ী টাকা ক্রেডিট করা হচ্ছে। পাশাপাশি যারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন, তাদের তথ্য আগে সিস্টেমে আপলোড ছিল।

আরও পড়ুন: যাতায়াতে বড় বদল, উবার শাটল নেই! ৩০০ বাসে ভরসা, বুকিং কোথায় ও কীভাবে করবেন জানুন
এই কারণবশত যাচাই প্রক্রিয়া, অফলাইনের তুলনা অনলাইনে যারা এই প্রকল্পে আবেদন করেছেন, তাতে দ্রুত সম্পূর্ণ হচ্ছে। পাশাপাশি অনেকের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, যারা অফলাইনে আবেদন করেছিলেন, তাদের আবেদন পত্রের তথ্য আগের থেকে ডেটাবেসে এন্ট্রি করাতে হচ্ছে। যার ফলে কিছুটা হলেও সময় বেশি লাগছে।
তবে এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের তথ্য জেলা ভিত্তিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ তথ্য যাচাই করার পরেই আবেদন অ্যাপ্রুভ করা হচ্ছে। অর্থাৎ আবেদনকারী বর্তমানে কোথাও চাকরি করছেন কিনা অথবা ভোটার কার্ড ও পরিচয় পত্রের তত্ত্বের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও তার ডকুমেন্ট সবকিছুই মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই প্রকল্পের টাকা যেহেতু (DBT) এর মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে তাই আবেদনকারীর আধার নম্বরের সঙ্গে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক থাকা একান্তই দরকার। তাছাড়াও আবেদনকারীকে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক রাখতে হচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম হল – কেওয়াইসি।
তবে আবেদনকারীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে যে, এখনো পর্যন্ত বহু আবেদনকারী এই আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না। অথবা অনেকের ক্ষেত্রে দেরী হচ্ছে। সেইখানে সরকারি তথ্য অনুযায়ী মূলত তিনটি কারণ কে ধরা হয়েছে। যার মধ্যে সরকারি নথির সঙ্গে আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকলে বহু কারণে এই ফাইল আটকে যাচ্ছে। যাকে প্রশাসনিক ভাষায় বলা হয় মিসম্যাচ ।
তাছাড়াও রাজ্য সরকারের ট্রেজারিতে কিছু আভ্যন্তরীণতার কারণে সাময়িকভাবে ফান্ড রিলিজ করার প্রক্রিয়া, ধীর হয়ে গিয়েছিল। এই কারণবশত আবেদনকারীদের টাকা পেতে দেরি হচ্ছে। তাছাড়া যারা নতুন ও পুরনো আবেদন করেছেন তাদের ভেরিফিকেশন বা যাচাই পর্ব এখনো চলছে। এর ফলেও অনেকটা সময় ব্যয় হচ্ছে সেখানে (Yuva Sathi)।












