বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য যুব সাথী (Yuva Sathi) চালু করেছে তৃণমূল সরকার। এই স্কিমের আওতায় বহু যুবক যুবতী ইতিমধ্যে ১৫০০ টাকা করে পেয়েছেন। আবার অনেকে সেই টাকার অপেক্ষায় রয়েছেন। এবার এই টাকার অপেক্ষায় থাকায় যথারীতি নানান প্রশ্নের সূচনা তৈরি করছেন। আজকের প্রতিবেদনে রইল এই যুবতীর অনলাইন আবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য।
একসঙ্গে দু’মাসের টাকা ঢুকবে? অনলাইন আবেদনে কী সুবিধা জানুন (Yuva Sathi)
রাজ্যের যুবক-যুবতীদের আর্থিকভাবে একটু সাহায্য করার জন্য চালু হয়েছে ‘যুবসাথী’ প্রকল্প (Yuva Sathi)। তবে এই প্রকল্পে টাকা পাওয়ার নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যেই এখনও কিছু প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে অনুদানের টাকা ঠিক অনলাইনে আবেদন করার পরও যারা টাকা পাননি তাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আজকের প্রতিবেদনে এই যুব সাথী প্রকল্পের টাকা নিয়ে সকল তথ্য বিস্তারিতভাবে জানানো হল।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন শুরু, কীভাবে আবেদন করলে সুযোগ পাবে আপনার সন্তান জানুন
পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের যুবক যুবতীদের জন্য যুবতী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এই টাকা পাবেন যারা ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবক-যুবতী রয়েছেন তারাই। তবে বর্তমানে বিভিন্ন জেলা থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, ব্যাচ অনুযায়ী টাকার ক্রেডিট করা হচ্ছে। এর ফলে যারা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছিলেন তারা আগের থেকে সিস্টেমে আপলোড ছিল। যার ফলে তাদের যাচাই প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে তাড়াতাড়ি সম্পূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি অনেকের অ্যাকাউন্টে এই টাকা ইতিমধ্যে ঢুকতে শুরু করেছে।
তবে যুবসাথীর টাকা পাওয়ার সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন অনলাইনে আবেদন করলে আগে পাওয়া যাবে কিনা সে নিও নানা ধরনের দ্বিধা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণভাবে দেখা যাচ্ছে অনলাইনে আবেদনকারীদের তথ্য আগের থেকে যেহেতু সিস্টেমে ছিল। তাই তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তবে এতে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম নয়। বহু ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক প্রসেসিং এর উপর নির্ভর করে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে।
যার ফলে প্রথমের দিকে যারা ডকুমেন্ট Self attested করেননি তাদের সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও বহু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যারা Self attested ছাড়া আবেদন করেছিলেন তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে। অর্থাৎ শুধুমাত্র এই কারণে সাধারণ সমস্যা হচ্ছে না। অফলাইনে জমা দেওয়া আবেদনগুলির করতে হচ্ছে। যার কারণবশত টাকা পেতে বেশ কিছুটা দেরি হচ্ছে। পাশাপাশি এই টাকা পাঠানো হচ্ছে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার পদ্ধতিতে। অর্থাৎ আবেদনকারীর আধার নম্বরের সঙ্গে লিংক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ক্রেডিট হচ্ছে।
তবে আবেদনকারীদের বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হচ্ছে তা হল:
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে Aadhaar link থাকতে হবে। KYC সম্পূর্ণ থাকতে হবে। DBT service সক্রিয় থাকতে হবে। এছাড়াও এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের তথ্য জেলা ভিত্তিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তথ্য যাচাই করার পরই আবেদন Approve করা হচ্ছে এবং তারপরই টাকা পাঠানো হচ্ছে। অর্থাৎ আবেদনকারী বর্তমানে অন্য কোথাও চাকরি করছেন কিনা ভোটার কার্ড ও পরিচয়পত্রের তথ্য। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার ডকুমেন্ট। তাছাড়া আবেদনকারী বর্তমানে কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে নিযুক্ত আছেন কিনা (Yuva Sathi)।












