আবু ধাবিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, প্রাণ হারালেন ১ ভারতীয় নাগরিকও

Updated on:

Updated on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: আবু ধাবিতে (Abu Dhabi) ইরানের মিসাইল হামলা। প্রায় একমাস ধরে যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত গোটা বিশ্বজুড়েই অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলেছে। এই উত্তেজনার মাঝেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রাজধানী আবু ধাবিতে মিসাইল হামলার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ওই হামলার জেরে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন তার মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিকও ছিলেন।

আবু ধাবিতে (Abu Dhabi) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন জর্ডনের এক নাগরিক। ইতিমধ্যেই জর্ডনের বিদেশ মন্ত্রক এই হামলাকে ইরানের কাজ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, চলমান সংঘাতের জেরে নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই হামলার পর থেকে ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী আবহে উত্তাপ বাড়বে ভবানীপুরে, মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দুর সঙ্গে প্রচারে নামছেন আরজিকর নির্যাতিতার মা!

সূত্রের খবর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ইরাআরও এই হামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তিনজন আরব সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি সংকট, বন্দর এবং শহরাঞ্চলে একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। ফলে শুধু প্রাণহানিই নয়, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তিরও ক্ষতি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে শান্তি ফেরাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে ১৫ দফা প্রস্তাব দাবি করা হয়েছে। তাঁর প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের কথা বলা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করেছে তেহরান। ট্রাম্পের দাবি, ইরান একদিকে আলোচনার আগ্রহ দেখালেও অন্যদিকে মার্কিন শর্ত মানতে নারাজ, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

11 people died in Iran's missile attack on Abu Dhabi.

আরও পড়ুন: ‘যুবসাথী সবাইকে..,’ বেকার ভাতা নিয়ে বড় আপডেট দিলেন মমতা

তবে সূত্রের খবর, ইরান আংশিকভাবে কিছু শর্ত বিবেচনা করছে, যেমন আগামী পাঁচ বছরের জন্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানো। তবুও শর্ত ও পাল্টা শর্তের জেরে আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে কবে এই যুদ্ধের ইতি ঘটবে, তা এখনও অনিশ্চিত, আর গোটা বিশ্ব উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে পশ্চিম এশিয়ার দিকে।