বাংলাহান্ট ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটি কেন্দ্রের যে দিকে যে বিভিন্ন মহলের নজর থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ এই কেন্দ্রেই এবার বিজেপির (BJP) তরফে প্রার্থী হয়েছেন আরজিকর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। বৃহস্পতিবার পানিহাটিতে তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্যাতিতার মাকে ভবানীপুরেও প্রচারে নামার প্রস্তাব দেন তিনি।
পানিহাটিতে নির্যাতিতার বাড়িতে বিরোধী (BJP) দলনেতা শুভেন্দু
এদিন নির্যাতিতার মা বাবাকে পাশে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আরজিকর কাণ্ডে তথ্য লোপাটের মূল মাথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাস্ত করার লক্ষ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীপদ স্বীকার করেছেন নির্যাতিতার মা। আমার বিশ্বাস, এক-দুই ভোটে নয়, পানিহাটি থেকে উনি রেকর্ড ভোটে জিতবেন। যা স্বাধীনতার পরে কস্মিনকালেও পানিহাটিবাসী দেখেনি।

ভবানীপুরে প্রচারের প্রস্তাব: এরপর শুভেন্দু জানান, নির্যাতিতার মায়ের সঙ্গে তাঁর দিদির মতো সম্পর্ক। বিগত দেড় দুই বছর ধরে নিজের সাধ্যমতো নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি। এরপরেই তিনি বলে ওঠেন, ‘আমি দিদিকে বলেছি, পানিহাটিতে প্রচারের পর যদি সময় থাকে তবে আপনাকে ভবানীপুরেও একবার যেতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পুলিশমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপনার যা যা অভিযোগ আছে, তা ভবানীপুরে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে বলতে হবে আপনাকে।’
আরও পড়ুন : যথেচ্ছ ব্যবহার নয়, এক মাসে কতগুলি সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন, জানেন?
কী বললেন শুভেন্দু: নির্যাতিতার মায়ের প্রশংসা করে বিরোধী (BJP) দলনেতা বলেন, ‘উনি ভীষণ লড়াকু একজন মহিলা। লড়াই সংগ্রামে কখনও পিছপা হননি। তাই আমার বিশ্বাস, ভোট প্রচারের বাকি দায়িত্বও উনি যথাযথ ভাবে পালন করবেন।’ রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, পরিবারের অনুমতি ছাড়াই নির্যাতিতার দে সৎকার করে যেভাবে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছিল তা বাংলার মানুষ দেখেছে। এই চক্রান্তে যারা যুক্ত তাদের বাঁচাতে কোনও কসুর বাদ রাখেনি। যারা এই ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল তাদের প্রতি সহমর্মিতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন : ৫০০ টাকা পর্যন্ত রান্নার গ্যাস সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, বিরাট ঘোষণা কেন্দ্রের, কারা পাবেন?
একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জোর গলায় বলেন, তাঁর বিশ্বাস, এবার বাম ভোটারদের বড় অংশ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেবে। ছোট রাজনৈতিক স্বার্থ ভুলে গিয়ে বাংলার স্বার্থে ভোট দেবে মানুষ। তাই এবার আর ভোট কাটার সুযোগ পাবে না তৃণমূল।












