বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নতুন করে বিতর্ক চারা দিয়ে উঠেছে এসএসসি (School Service Commission) ২৬০০০ মামলায়। সম্প্রতি এসএসসি (SSC) ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশ্যে আসতেই তুঙ্গে বিতর্ক। ওই তালিকায় মামলাকারীরই নাম ‘দাগি’ হিসেবে উঠে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নাম রয়েছে ২০১৬ সালের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা করা লক্ষ্মী তুঙ্গার। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। আর এবার এসএসসির ওয়েটিং লিস্ট নিয়ে মুখ খুললেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)।
কি প্রতিক্রিয়া কল্যাণের? Kalyan Banerjee
এর আগে বাম ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, “বঞ্চিত বলে যাঁর নামে মামলা হল, যে বিশেষ আইনজীবীরা লড়লেন, এখন তাঁর নামই দাগির তালিকায় রয়েছে। পুরোটার পিছনে পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল। আমার মনে হয় হ্রদের তলায় আরও অনেক শৈলশিখর রয়েছে। ধীরে ধীরে সব বেরোবে।” এবার একই সুরে সুর মেলালেন কল্যাণও।
কল্যাণবাবু বলেন, “এই যে আপনারা দেখেছিলেন সিপিএম-এর আইনজীবীরা দাগি-দাগি করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এসেছিল তো…এদেরই একজন হল এই লক্ষ্মী তুঙ্গা। যাঁকে নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেশি নাচানাচি করেছিলেন। আজকে দাগির তালিকায় তার নাম আছে।” কল্যাণবাবুর দাবি, “এমন আরও অনেক আছে। সিপিএম-এর আইনজীবীরা যাঁদের নিয়ে মামলা করতে গেছে তাঁরাই দাগি বেরচ্ছে। ভেরি ইন্টাররেস্টিং।”
তোপ দেগে কল্যাণ বলেন, “নিজের মক্কেলদের একটা লোককেও চাকরি দিতে পারেনি। শুধু কাঁচি চালিয়ে গেছে। অতৃপ্ত আত্মা।” উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এসএসসির (SSC) নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একদল চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টে যান। সেই মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ ছিল, ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টে থাকা দাগি প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করতে হবে। উদ্দেশ্য- নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাতে একজনও অযোগ্য বা দাগি প্রার্থী ঢুকতে না পারেন।

আরও পড়ুন: কয়লা কেলেঙ্কারিতে বিরাট মোড়! টাকার সূত্র ধরে ED-র জালে ৭, প্রভাবশালী যোগ খুঁজতে তৎপর সংস্থা
সম্প্রতি আদালতের নির্দেশ মতো এসএসসি (SSC) শিক্ষাকর্মী ও নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক পদে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টে থাকা দাগিদের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করে। সেই তালিকায় দেখা যায় জ্বলজ্বল করছে নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নাম। সেই থেকেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। এই লক্ষ্মী তুঙ্গারই ২০১৬ সালের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন।













