বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কয়লা পাচার মামলায় তদন্তের গতি আরও বাড়াল ইডি (Enforcement Directorate)। টাকা কোথায় গেল, কারা জড়িত, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার আরও সাতজনকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিক কয়লা ব্যবসায়ীকে জেরা করা হয়েছিল। সেই জেরার সূত্র ধরেই নতুন নাম উঠে আসায় এবার তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হল।
কয়লা পাচার মামলায় মোট ১৫ জনকে তলব করেছে ইডি (Enforcement Directorate)
ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত পাচারের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ কোথায় কোথায় গিয়েছে, সেই অর্থের লেনদেনের রাস্তাগুলি খতিয়ে দেখতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ। পাশাপাশি, এই টাকার সঙ্গে কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বেশ কয়েকজন কয়লা ব্যবসায়ীকে জেরা করেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই জেরার সূত্রেই আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। তার পরেই নতুন করে সাতজনকে তলব করা হল। সব মিলিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে তলব করেছে ইডি।
এই তদন্তের মধ্যেই দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলায় সম্প্রতি ইডি (Enforcement Directorate) তল্লাশি চালায় আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈন-এর বাড়িতে এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের নামে দলের নথি ছিনতাই করা হয়েছে এই অভিযোগ তুলে ইডির বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে হাই কোর্ট, পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আইনি লড়াই গড়ায়।
এর মধ্যেই কলকাতা ও ঝাড়খণ্ডে ছড়িয়ে থাকা কয়লা পাচার মামলায় আবার সক্রিয় হল ইডি (Enforcement Directorate)। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গত নভেম্বর মাসেও পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের একাধিক জায়গায় ইডি অভিযান চালায়। দুই রাজ্যের মোট ৪০টিরও বেশি ঠিকানায় তল্লাশি হয়। সেই অভিযানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, কয়েক কোটি টাকা, গয়না এবং বিপুল পরিমাণ বেআইনি কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ ‘শাহের মন্ত্রকে আবেদন করতে হবে’, হুমায়ুন কবীরকে নির্দেশ হাই কোর্টের, কোন মামলায়?
তদন্তকারীদের দাবি, এই সব তথ্য ও নথির ভিত্তিতেই এখন আরও গভীরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কয়লা পাচারের পুরো নেটওয়ার্ক এবং এর পিছনের প্রভাবশালী যোগ খুঁজে বের করাই এখন ইডির (Enforcement Directorate) মূল লক্ষ্য।












