জোজিলা পাসে তুষারধসে মৃত অন্তত ৭! শ্রীনগর-লেহ জাতীয় সড়কে বরফের নিচে আটকে বহু গাড়ি

Updated on:

Updated on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: লাদাখে ভয়াবহ তুষারধসে বিপর্যস্ত পরিস্থিতি। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের সংযোগকারী জোজিলা পাসে (Zojila Pass) নেমে আসা তুষারধসে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। এই ঘটনার জেরে গোটা শ্রীনগর-লেহ জাতীয় সড়ক একেবারে মোটা বরফের চাদরে ঢেকে যায়। জানা যাচ্ছে, বরফের নিচে আটকে পড়ে বহু যানবাহন, অসংখ্য পর্যটক ও যাত্রী। এখনও সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। পাশাপাশি বরফ সরানোর কাজও চলছে জোরকদমে।

জোজিলা পাসে (Zojila Pass) ভয়াবহ তুষারধসে মৃত অন্তত ৭:

এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা। পোস্টে তিনি লেখেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কার্গিল জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংও। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান।

আরও পড়ুন: মুহূর্তে বদলে যাবে আবহাওয়া! আগামী দু’ঘণ্টায় ঝড়-বৃষ্টির তোলপাড়, বাড়িতে থাকার পরামর্শ IMD-র

উল্লেখ্য, শ্রীনগর-লেহ জাতীয় সড়ক বা NH-1 উত্তর ভারতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এটি শ্রীনগর ও লেহ-এর মধ্যে প্রধান সংযোগ রক্ষা করে। প্রায় ৪৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি জোজিলা পাসের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে এবং এর উচ্চতা প্রায় ১১,৫৭৫ ফুট। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত হলেও, প্রবল তুষারপাতের কারণে শীতকালে এই পথ প্রায়ই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

প্রবল তুষারপাতের জেরে প্রায় প্রতিবছরই এই সড়কের একটি বড় অংশ বন্ধ রাখতে হয়, যার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বর্তমানে জোজিলা পাসে একটি বিশাল টানেল নির্মাণের কাজ চলছে। এই টানেল তৈরি হলে বছরের সব সময় লাদাখের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

7 dead in massive avalanche at Zojila Pass.

আরও পড়ুন: ভর্তি হয়ে গেছেন, তবুও বাড়তি ফি? কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বড় স্বস্তি পড়ুয়াদের

জোজিলা পাসের (Zoji La Pass) এই ঘটনার পর প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে আবহাওয়া পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে আরও সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।