বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন, ডিএ এবং বিভিন্ন ভাতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের পর কর্মীদের বেতন কতটা বাড়ানো যায়, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার বাড়ানো সম্ভব কি না এবং কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে বেতনের ব্যবধান কিছুটা কমানো যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই কমিশনের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সপ্তম বেতন কমিশনে (7th Pay Commission) বেতন ও ভাতা নিয়ে বড় পর্যালোচনা
রাজ্য সরকার সম্প্রতি সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) গঠন করেছে। কমিশনের কাজ এবং বিভিন্ন তথ্য কর্মীদের কাছে পৌঁছে দিতে একটি বিশেষ পোর্টালও চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, এতে কমিশন নিয়ে বিভ্রান্তি কমবে এবং কর্মীরা নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন। কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হল বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট। বর্তমানে যে হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ পর্যন্ত করা যায় কি না, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ডিএ বৃদ্ধির পাশাপাশি ইনক্রিমেন্টের কারণেও কর্মীদের বেতন বাড়তে পারে।
এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের বেতনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতনের কাছাকাছি আনা যায় কি না, তাও কমিশন বিবেচনা করছে। সেই কারণে বর্তমান বেতন কাঠামো, ডিএ, বিশেষ ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শুধু বেতন নয়, বাড়িভাড়া ভাতা (এইচআরএ), পরিবহন ভাতা, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা এবং ছাত্রাবাস ভর্তুকির মতো বিভিন্ন ভাতাও কমিশনের নজরে রয়েছে। একইসঙ্গে নতুন বেতন কাঠামোর ক্ষেত্রে বেসিক পে কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এককালীন পেনশন পুনর্বহাল, অবসরের সময় জমা ছুটির হিসাব এবং ৩০ জুন অবসর নেওয়া কর্মীদের অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলিও আলোচনার তালিকায় রয়েছে। উল্লেখ্য, ২২ জুলাই ২০২৬ সালে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়। তবে কমিশনের কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখনও কোনও চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়নি। তাই কমিশন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যের জন্য সরকার একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল চালু করতে চলেছে, যাতে কর্মীরা যাচাই করা তথ্যই পান।

আরও পড়ুনঃ নেতাজি বিতর্কে বড় পদক্ষেপ! অনন্ত মহারাজের থেকে মমতার দেওয়া ‘বঙ্গবিভূষণ’ ফিরিয়ে নিল শুভেন্দু সরকার
বর্তমানে কমিশনের সামনে সবচেয়ে বড় বিষয় হল রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোকে আরও আকর্ষণীয় করা এবং বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধির ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন আনা যায়, তা খতিয়ে দেখা। কমিশনের (7th Pay Commission) রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।













