সিকিমে ভয়াবহ ধসে লাচেনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! আটকে ৮০০ পর্যটক

Published on:

Published on:

800 Tourists Stranded in Sikkim Due to Massive Landslide!
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: এখনও বর্ষার আগমন ঘটেনি, তার আগেই উত্তর সিকিমে (Sikkim) প্রকৃতির ভয়াল রূপ দেখা গেল। সিকিমের লাচেনে আকস্মিক ধসে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৮০০ জন পর্যটক এই বিপর্যয়ের জেরে আটকে পড়েছেন। পাহাড়ি এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও।

সিকিমে (Sikkim) ভয়াবহ ধসে লাচেনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন!

সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে লাচেন থেকে চুংথাং যাওয়ার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায়। তারুম চুয়ের কাছে রাস্তার একটি বড় অংশ ধসে পড়ায় পুরো পথই কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এই রাস্তা উত্তর সিকিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। জেলা প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাস্তাটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: চাকরিতে দুর্নীতির অভিযোগ নেই স্বপ্নার বিরুদ্ধে, ভোটে লড়ার ছাড়পত্র দিল কমিশন

ধস নামার পর থেকেই লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকদের বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আপাতত কেউ যেন নিজের অবস্থান না ছাড়েন। বিশেষ করে রাতের সময় পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, অতিরিক্ত ধস নামার আশঙ্কা এখনও কাটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আধিকারিকরা।

প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং দ্রুত বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা চলছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ সহজ হচ্ছে না। পর্যটকদের জন্য খাদ্য, জল এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

800 Tourists Stranded in Sikkim Due to Massive Landslide!

আরও পড়ুন: কেনা যায় বাজারদরেই, লাগে না ঠিকানার প্রমাণ, দেশ জুড়ে রেকর্ড হারে বাড়ল ছোট সিলিন্ডারের বিক্রি

বিশেষজ্ঞদের দাবি, বর্ষা পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই এই ধরনের ধসের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং অস্বাভাবিক আবহাওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে উত্তর সিকিমে (Sikkim) ভ্রমণে আগ্রহীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রশাসন ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।