বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের চোখ এখন অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) দিকে। নতুন বেতন কাঠামোয় কতটা বেতন বাড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন নিজেদের দাবি জানাতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই বছরে ৭ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি সামনে এসেছে। ২.১৫-এর ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কার্যকর হলে এই ইনক্রিমেন্টে বেতনের অঙ্ক কোথায় পৌঁছতে পারে, তা নিয়েও হিসাব সামনে এসেছে।
8th Pay Commission : ৭% ইনক্রিমেন্ট হলে কত বাড়বে বেতন?
৭ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের দাবি জানিয়েছে অল ইন্ডিয়া নিউ পেনশন স্কিম এমপ্লয়িজ ফেডারেশন বা AINPSEF। ধরুন, লেভেল ৮-এর কোনও কর্মীর এখন বেসিক বেতন ৪৭,৬০০ টাকা। অষ্টম বেতন কমিশনে (8th Pay Commission) ২.১৫ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কার্যকর হলে তাঁর বেসিক বেতন প্রায় ১,০২,৩৪০ টাকা হতে পারে। এরপর যদি প্রতি বছর ৭ শতাংশ করে ইনক্রিমেন্ট হয়, তাহলে ১০ বছরে মোট বেসিক বেতন প্রায় ১.৭০ কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে। ৩ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের তুলনায় এই হিসাবে অতিরিক্ত প্রায় ২৮.৮৯ লক্ষ টাকা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
শুধু AINPSEF নয়, আরও কয়েকটি কর্মচারী সংগঠনও ইনক্রিমেন্ট বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জয়েন্ট কনসালটেটিভ মেশিনারি বা NC-JCM বছরে ৬ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করেছে। অল ইন্ডিয়া ডিফেন্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (AIDEF) এবং ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশনস (FNPO)-ও ৬ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান রেলওয়ে সুপারভাইজারস অ্যাসোসিয়েশন (IRTSA) ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের কথা বলেছে।
৭-৮ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে কমিশনের বৈঠক
অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) আগামী ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর চেন্নাই সফর করবে। এর আগে জয়পুরে দু’দিনের বৈঠক করেছে কমিশন। চেন্নাইয়ে কর্মচারী ও পেনশনভোগী সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কমিশনের আধিকারিকদের বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের দাবি আবারও সামনে আসতে পারে।

আরও পড়ুনঃ পুজোর মুখে বাড়ল ভাতার টাকা, সোমবার থেকেই মিলবে ১৫০০!
অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) তৈরি হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১০ মাস কেটে গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে এই কমিশন তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার। কমিশনকে চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করে সরকারের কাছে জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে ২০২৭ সালের মে-জুন মাসের কাছাকাছি রিপোর্ট জমা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।












