রাজ্যকে ৭ দিনের ডেডলাইন! রিপোর্ট দিতে কঠোর নির্দেশ হাই কোর্টের, কোন মামলায়?

Published on:

Published on:

Calcutta High Court Seeks Positive Report on India-Bangladesh Border Fencing
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দীর্ঘদিন ধরে কেন থমকে আছে, সেই প্রশ্নেই জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court)। অভিযোগ ছিল, সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটার এলাকায় এখনও ফেন্সিং হয়নি। এর সুযোগে চলছে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান। আর এই ফেন্সিংয়ের কাজ না হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় রাজ্যের জমি অধিগ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা।

২৮ শে নভেম্বর ফের এই মামলা ওঠে আদালতে (Calcutta High Court)

গত ১৩ নভেম্বর রাজ্যের কাছে হলফনামা চেয়েছিল হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। ২৮ নভেম্বর ফের এই মামলা ওঠে আদালতে। এ দিনও নিজেদের বক্তব্য জানাতে আরও সময় চান রাজ্যের আইনজীবীরা। মামলাকারীর পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয় আগেও রাজ্য একই অজুহাতে সময় নিয়েছে।

আদালত (Calcutta High Court) এবার কড়া সুরে জানিয়ে দেয়, রাজ্যকে এক সপ্তাহের মধ্যে সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট জমা দিতেই হবে। বেঞ্চের স্পষ্ট বলে “আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার বিষয়টি দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। এত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বেশি সময় দেওয়া যাবে না।”

কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল আদালতে (Calcutta High Court) জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণের টাকা আগেই রাজ্যকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তবুও রাজ্যের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনও বক্তব্য বা পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। মামলাকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু জায়গায় এখনও কাঁটাতার নেই। আর সেই ফাঁকেই বাড়ছে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান। রাজ্য জমি অধিগ্রহণে গতি না আনায় কেন্দ্রের ফেন্সিং প্রকল্পও আটকে আছে।

Calcutta High Court Seeks Positive Report on India-Bangladesh Border Fencing

আরও পড়ুনঃ দূরপাল্লার ভ্রমণে ধাক্কা! ডিসেম্বর থেকে বাতিল ২৪ জোড়া ট্রেন, সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন

হাই কোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়ে দিয়েছে আগামী সপ্তাহে জমা দেওয়া রিপোর্টে যদি রাজ্যের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত না থাকে, তাহলে এই মামলায় টানা শুনানি চলবে। আদালতের বক্তব্য, সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আর দেরি করা যাবে না।