না জানিয়ে বন্ধুকে গরুর মাংস খাওয়ানোর ঘটনা বারাণসীতে! প্রাণ গেল তরুণের

Published on:

Published on:

Murder in Varanasi for feeding beef to his friend
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে (Varanasi) হাড়হিম করা খুনের (Murder) ঘটনা ঘটলো। গরুর মাংস (Beef) খাওয়ানো নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। নিহতের নাম আফতাব, বিহারের বাসিন্দা তিনি। গত ৮ জানুয়ারি ঘটে এই খুনের ঘটনাটি।

কী ভাবে ঘটলো খুনের (Murder) ঘটনা?

পুলিশ সূত্রের খবর এই খুনের ঘটনায়, অভিযুক্তর নাম বীরেন্দ্র। তিনি সোলাপুর এলাকার বাসিন্দা। প্রতিশোধ নিতে তিনি এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় যে আফতাব তাকে গরুর মাংস খেতে বাধ্য করেছিল এবং অজান্তেই তিনি সেটা খেয়ে ফেলেন। সেই ঘটনারই শোধ তুলতে তিনি এই কান্ড ঘটিয়েছেন। তবে শুধু খুন নয়, খুনের পর আফতাবের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত টাকা তিনি নিজের নামে ট্রান্সফার করিয়ে নেন বলে জানা গেছে।

৮ জানুয়ারি মহাগাঁও গ্রামে আফতাবকে সন্দেহজনক অবস্থায় পাওয়া যায়। মৃতদেহ উদ্ধারের সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এর পরেই পরিবারের লোকের সন্দেহ হওয়াতে, তারা অভিযোগ জানায় যে আফতাবকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নামলে দেখা যায় আফতাবের একাউন্ট থেকে বীরেন্দ্রর একাউন্টে কয়েক লক্ষ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এটিএম এর সিসিটিভি ফুটেজেও বীরেন্দ্রকে আফতাবের সঙ্গে দেখা গেছে এবং সেই সূত্র ধরেই বীরেন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন:ক্রিকেট নিয়ে নাটক শেষ! এবার এই চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভারতে টিম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

বীরেন্দ্র এবং আফতাব দুজনেই ব্যাঙ্গালুরুতে একসাথে কাজ করতো। আফতাব বীরেন্দ্রকে না জানিয়ে গরুর মাংস খাওয়ান এবং সেটা নিয়ে পরে বন্ধুদের কাছে তাকে নিয়ে উপহাস করায়, বীরেন্দ্র পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং অজান্তেই যে গরুর মাংস খেয়েছেন সেটাও জানতে পারেন। এতেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আফতাব কে মারার পরিকল্পনা করেন।

আরও পড়ুন:‘জতুগৃহ’ গোডাউনের ভাড়া থেকে বিধায়কের ঘরে ঢুকতো টাকা? আনন্দপুর কাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

Murder in Varanasi for feeding beef to his friend

৭ জানুয়ারি তিনি আফতাব কে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। পরে তিনি ও তার এক সহযোগী আফতাবকে নিয়ে মহাগাঁও এলাকার একটি নির্জন স্থানে যান এবং শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন আফতাবকে। এরপর আফতাবের মোবাইলের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক একাউন্ট থেকে তিনি নিজের একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেন। বীরেন্দ্রর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ খুনে ব্যবহৃত দড়ি, আধার কার্ড, এটিএম কার্ড, মোবাইল ফোন ইত্যাদি উদ্ধার করেছে। বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে তার যে সহযোগী আফতাব খুনে তাকে সহায়তা করেছে, সে এখনো পর্যন্ত পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে খোঁজ চলছে তারও।