এবার বাংলাদেশের মাছেও ‘নো এন্ট্রি’, এই রাজ্যে নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: শুধু মানুষ নয়, এবার অনুপ্রবেশ করতে পারবে না মাছও! মানুষের অনুপ্রবেশের পাশাপাশি এবার বাংলাদেশি (Bangladesh) মাছের অবৈধ প্রবেশেও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত। মেঘালয়ের পূর্ব ও পশ্চিম খাসি পাহাড় জেলায় এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বেআইনি ভাবে মাছ পাচারের অভিযোগ উঠছিল। সেই অবৈধ বাণিজ্য রুখতেই এবার কড়া অবস্থান নিল রাজ্য প্রশাসন।

এবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মাছেও ‘নো এন্ট্রি’

পূর্ব খাসি পাহাড় জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বৈধ ও প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ছাড়া বাংলাদেশ থেকে মাছ আমদানি, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জেলা শাসকের নির্দেশ অনুযায়ী, জৈব নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মতে, অনিয়ন্ত্রিত ভাবে আসা এই মাছের মান ও স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা যাচাই করা সম্ভব নয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: পড়শি দেশে একী কাণ্ড! এই ২ তরুণীর কারণেই ঘুম উড়ল পাকিস্তানের

একই ধরনের কড়া নির্দেশ জারি করেছে পশ্চিম খাসি পাহাড় জেলা প্রশাসনও। সেখানে জানানো হয়েছে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বাংলাদেশি মাছ পরিবহনের জন্য কোনও যানবাহন, নৌকা বা অন্য কোনও মাধ্যম ব্যবহার করা আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। শুধু মাছ পরিবহনই নয়, এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সাহায্য করা, আশ্রয় দেওয়া কিংবা সহযোগিতা করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মেঘালয়ের একাধিক সীমান্ত রুট, নদীপথ এবং কাঁচা রাস্তা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে মাছ পাচার করা হচ্ছিল। এই মাছ প্রথমে সীমান্ত এলাকার বাজারে ঢুকে পড়ত, পরে রাজ্যের অভ্যন্তরের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ত। অভিযোগ উঠছিল, প্রশাসনের চোখের সামনেই এই অবৈধ বাণিজ্য চলছিল, যার ফলে স্থানীয় মৎস্যচাষিরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন।

Now Fishes from Bangladesh are not allowed, this state took a big step.

আরও পড়ুন: পাত্তা দিচ্ছে না ভারত! সিন্ধু চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে নালিশ ঠুকতে গিয়ে মুখ পুড়ল পাকিস্তানের

নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে দুই জেলার প্রশাসন। সীমান্ত এলাকায় টহল, বাজার পরিদর্শন এবং পরিবহন ব্যবস্থার উপর কড়া নজর রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা, আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অবৈধ মাছ পাচার বন্ধের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং স্থানীয় মৎস্যশিল্পকে রক্ষা করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন আধিকারিকেরা।