এসআইআর আবহে পুরসভায় দুর্নীতির ছায়া! জন্ম–মৃত্যু শংসাপত্র নিয়ে তোলপাড় কলকাতা

Published on:

Published on:

KMC controversy on certificate issue in Calcutta Municipality in wake of SIR
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এস আই আর আবহে উঠল বড়সড় অভিযোগ কলকাতা পুরসভার (KMC) বিরুদ্ধে । ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জন্য নাগরিকদের কাছে জন্মের ডিজিটাল শংসাপত্রে চাহিদা হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এর মধ্যে কলকাতা পুরসভায় জন্ম মৃত্যুর শংসাপত্র শাখায় একটি অবৈধ চক্র সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এসআইআর প্রেক্ষিতে কলকাতা পুরসভায় শংসাপত্র ইস্যুতে বিতর্ক (KMC)

অভিযোগ করে বলা হয়েছে, কিছু কর্মী ও দালাল মিলে এই কাজ চালাচ্ছেন। এমনকি সরকারের নিয়মের বাইরে প্রতিটি জন্ম বা মৃত্যুর শংসাপত্রের জন্য কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগের কথা জানাজানি হতে যথারীতি সমালোচনার ঝড় উঠেছে পুরসভার অন্দরে (KMC)।

KMC controversy on certificate issue in Calcutta Municipality in wake of SIR

আরও পড়ুন: যাত্রীদের জন্য সুখবর! আসানসোল ডিভিশনের মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনে অতিরিক্ত স্টপেজের ঘোষণা

বহু মানুষ দাবি করছেন, কলকাতার বাসিন্দারা যদি পাসপোর্ট নবীকরণ অথবা এস আই আর শুনানিতে জন্ম অথবা মৃত্যু শংসাপত্রের প্রয়োজন হয় তাহলে পুরসভার তরফে চালু করার চ্যাটবট প্লটের জন্য আবেদন করে থাকেন। কিন্তু অনেকেই সেই স্লট পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে নথিপত্র জমা দিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

একই সঙ্গে জন্ম অথবা মৃত্যুর শংসাপত্র তাড়াতাড়ি পাইয়ে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকাও নেওয়া হচ্ছে। যেটিকে পুরসভার অন্দরমহলের কালোবাজারি হিসাবে দেখছে সাধারণ মানুষজন। আর এই অভিযোগ উঠতেই,পুরসভার চেয়ারপার্সন তথা দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সাংসদ মালা রায়ের পরিচিত এক নাগরিককে দ্রুত জন্মের শংসাপত্র পাওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল।

ওই ব্যক্তি বিষয়টি সরাসরি মালাকে জানালে পুর প্রশাসনের নজরে আসে। মালা ওই ব্যক্তিকে সহজেই জন্ম শংসাপত্র পাইয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেন। মালা বলেন, ‘‘ওই ব্যক্তিকে আমি সব রকম সাহায্য করে জন্মের শংসাপত্র পাইয়ে দিয়েছি। কিন্তু কে বা কারা পুরসভার অন্দরে এই দালালচক্র চালাচ্ছে, তা বন্ধ করতেও আমরা পদক্ষেপ করব।’’ একই ভাবে কলকাতা পুরসভার এক কর্মকর্তার আত্মীয় জন্মের শংসাপত্র পাওয়ার আবেদন করলে, তাঁর কাছে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই পুরসভার আধিকারিক বিষয়টি জানতে পারেন (KMC)।