বাংলা হান্ট ডেস্ক: আনন্দের ঘুরতে যাওয়া নিমেষের মধ্যে হয়ে গেল ট্রাজেডি। সান্দাকফুতে (Sandakuphu) ঘুরতে গিয়ে মৃত্যু হল এক পর্যটকের। জানা যায় মেয়েটার নাম ইমরান আলি। তিনি কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন। তবে অত্যাধিক ঠান্ডার কারণেই কি তার মৃত্যু হয়েছে কিনা সেই নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। তবে সূত্রের খবর, ফ্রেশ সান্দাকফু তে প্রবল তুষারপাত হয়েছে বলে খবর। যার ফলে বিভিন্ন এলাকায় বরফের চাদরের আস্তরণ পড়েছে।
প্রবল তুষারপাতে সান্দাকফুতে মৃত্যু কলকাতার পর্যটকের (Sandakuphu)
জানা যায় সান্দাকফুর (Sandakuphu) জন্য গত ২৪ মার্চ শিলিগুড়িতে পৌঁছন ইমরান আলী ও তার সঙ্গী রোহিত শেখর। তারা শিলিগুড়ি থেকে মানেভঞ্জনে একদিনও রাত কাটান। এরপর সেখান থেকে ২৬ মার্চ সকালে টুংলুতে যান। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানেই থাকতে হয়। এরপর শনিবার অর্থাৎ ২৭ মার্চ তিনি সান্দাকফু যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছে প্রকাশ করেন। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে স্থানীয়দের পরামর্শ শেষে এখানে না গিয়ে টুংলুতেই অবস্থান করেন। জানা যায় সেই সময়ের মৃত্যু হয় ওই পর্যটকের।

আরও পড়ুন: রবিবারের টেবিলে বাড়তি চমক, নল্লি নিহারির রিচ ফ্লেভারে মন জয় করুন সবার, রেসিপি রইল
সূত্রের খবর, শনিবার সকালে একসঙ্গে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতে গেলে কোন সারা শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তখনই চিকিৎসকরা ইমরানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য তার দেহ দার্জিলিং জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
এই বিষয়ে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ চৌহান বলেন,”যুবকের দেহ কলকাতায় পাঠানোর জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ আনা হয়েছে। এই বিষয়ে মানেভঞ্জনের ল্যান্ড রোভার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সহযোগিতা করেছে। এছাড়াও মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।”
তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জিটিএ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। কারণ সান্দাকফুর (Sandakuphu) মতো উচ্চতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে পর্যটকদের কেন শারীরিক পরীক্ষা বা বয়স বিবেচনা করা হচ্ছে না এনিয়ে প্রশ্ন উঠছে পর্যটনমহলে। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন পর্যটনমহল।

















