চূড়ান্ত হলো বাংলার প্রথম দফার ভোটার তালিকা! কত নাম বাদ পড়ল জানুন

Published on:

Published on:

Appeal process If Your Name Is Removed from SIR Supplementary List
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ঠিক আগে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে বড় জট তৈরি হয়েছিল। অনেকের নাম ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’ দেখিয়ে আটকে ছিল। এতে প্রশ্ন উঠেছিল সব ভোটার কি ভোট দিতে পারবেন? সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের আগে আর নতুন করে যাচাই হবে না। এই ঘোষণা নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

প্রথম দফার ভোটার তালিকা প্রস্তুত কমিশনের (Election Commission)

প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের আবেদন ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’-র কারণে ঝুলে ছিল। তার মধ্যে ৪৫ লক্ষ আবেদন ইতিমধ্যেই যাচাই করা হয়েছে। অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যেসব জায়গায় প্রথম দফায় ভোট হবে, সেখানে এখন আর নতুন করে যাচাই করা হবে না। কারণ, সোমবার থেকেই মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল।

বাংলায় প্রথম দফার ভোট হবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দুই মেদিনীপুরে। ভোট গ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল।
সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় যে ৪৫ লক্ষ আবেদন যাচাই হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৩৮ লক্ষ নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় তোলা হয়েছে। তবে সব আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এই ৩৮ লক্ষের মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ২১ লক্ষ ভোটারের নাম শেষ পর্যন্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছে। বাকি প্রায় ১৭ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে।

কেন এত নাম বাদ গেল?

এই পুরো প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৮০ লক্ষেরও বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে। এর মধ্যে মৃত ভোটার, একই নাম একাধিকবার থাকা, অন্য জায়গায় চলে যাওয়া বা খুঁজে না পাওয়া, এই সব কারণ রয়েছে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে আবেদন যাচাই করে অযোগ্য বলেও বাতিল করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি এখন সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে চলছে। আদালতের নির্দেশেই ওই ৬০ লক্ষ আবেদন বিচার বিভাগীয় অফিসারদের দিয়ে যাচাই করানো হয়েছে।

ভোট থামবে নাকি চলবে?

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যদি কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ে, তাহলে কি ভোট বন্ধ হতে পারে? কমিশনের মতে, একবার ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে তা সাধারণত থামে না। তাই ভোট ঠিক সময়েই হবে। তবে শেষ কথা আদালত কী বলে, সেটাই এখন দেখার।

Election Commission New Rules for Polling Booth

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! জোড়া মামলা খারিজ করে কমিশনের সিদ্ধান্তেই ভরসা রাখল হাই কোর্ট

কমিশনের (Election Commission) একাংশ বলছে, এই পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারই দায়ী। তাদের দাবি, শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ায় ঠিকমতো সহযোগিতা করা হয়নি। পরে বিষয়টি আদালতের তত্ত্বাবধানে চলে যায়, তাই এখন কমিশনের হাতে তেমন কিছু করার নেই বলেই মত তাদের।