Durga Puja 2026 Live Updates

‘যে কমপ্লেন করেছে সে কি ঘোঁত ঘোঁত করে?’,বারাসত থানায় হাজিরা দিয়ে কাকলিকে কটাক্ষ কুণালের

Published on:

Published on:

Kunal Ghosh
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বারাসাত থানায় হাজিরা দেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) এদিন বললেন, ‘বারাসাত থানার আমার নামে একটি অভিযোগ জমা পড়েছিল।  সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল আমি একটি  নোটিশ পাই। সেই নোটিশে আমাকে থানায় সাত দিনের মধ্যে হাজির হতে বলা হয়েছিল। এই ধরণের নোটিশ এলে আমার আবার ফেলে রাখতে বিরক্তিকর লাগে। সেজন্যই আমি কালকে বিকেলেই জানিয়ে দিয়েছিলাম আমি আজই আসবো।’

বারাসাত থানায় হাজিরা কুণাল ঘোষের

তৃণমূল নেতা কুনাল বললেন, ‘আজ আমি কথা বলেছি, ইন্টারোগেশনে আমি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আমার একটি পোস্ট দেখানো হয়েছে, সেই পোস্টে আমি একটা ছবি ইউজ করেছিলাম একটা ভিনগ্রহের প্রাণী খানিকটা শুয়োরের মত দেখতে এবার তার সঙ্গে কোনো নাম লিখিনি, আমি একটা কাল্পনিক রুপক দিয়েছিলাম। তা আমি পুলিশকে বললাম যে পোস্টটাতে আমি কারোর নাম লিখিনি সেই পোস্ট দেখে সেই ব্যক্তিটি কি করে বলতে পারেন শুয়োরের বাচ্চাটা তার পোস্ট। এটা কি করে সম্ভব।?’

থানায় হাজিরা প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের স্পষ্ট দাবী, ‘আমি তো শুধু আমাকে যেটুকু জিজ্ঞাসা করা হয়েছে আমি তার উত্তর দিচ্ছি। আমাকে আমার একটা পোস্ট দেখানো হয়েছে, সেই পোস্টের উপর কমপ্লেন। সেই পোস্টে দেখা যাচ্ছে একটা ছবি যেখানে একটা ভিনগ্রহের প্রাণী খানিকটা শুয়োরের মতো দেখতে তো এখন তার সঙ্গে কারোর নাম লেখা নেই, যেগুলো আমি লিখেছি তাতে কোন ব্যক্তির নাম পদবী পরিচয় কোন কিছু লেখা নেই। মাননীয় ইনভেস্টিগেটিং অফিসার কে অনুরোধ করেছি যে আপনি এটা প্রথমে এক্সামাইন করতে বলুন যে অমুক ব্যক্তি যদি বলে এটা শুয়োর তা আমি তো ওকে শুয়োর বলিনি। কেউ যদি আগ বাড়িয়ে এসে বলে এটা আমার ছবি দিয়েছে তাহলে এটা কি করে হতে পারে?’

আরও পড়ুনঃ স্বাস্থ্য দফতরে ‘ভুয়ো’ ডাক্তার নিয়োগ কিভাবে? দুর্নীতি ফাঁস হতেই তদন্ত শুরু স্বাস্থ্যভবনের

চরম কটাক্ষের সুরে তৃণমূল নেতার দাবী, ‘ফলে আমি তো নিজেই কনফিউজ, যেখানে আমি ধরাও যায় কোন শুয়োরের ছবি দিয়েছি ধরা যায় অভিযোগকারী যদি বলে যে আমি তার মানহানি করেছি, তো তাকে তো প্রথম এটা দেখাতে হবে সে ওইটা, তা না হলে আমি জাস্টিফাই করব কিভাবে? আমি কারো নাম লিখিনি, দুই আমার সঙ্গে কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং যার নাম বলা হচ্ছে যে অভিযোগকারী তাদের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিল। এবং আমার মনে হয় তারা যদি কোন কারণে আহত হয়ে থাকতেন তো তাহলে আমাকে সরাসরি বলতেন তাদের সঙ্গে তো আমার সেই সম্পর্ক ছিল।’

একইসাথে তিনি দাবী করেছেন, ‘আমি যে পোষ্ট করেছি তাতে ভিন গ্রহের প্রাণী থাকুক অথবা শুয়োর থাকুক তার সঙ্গে যে নোট আছে তাতে কোনো ব্যক্তির নাম নেই কারুর নাম নেই। অভিযোগকারী যদি ওই ছবি দেখে মানহানি করেন তাহলে আমি তো এটাই বুঝতে পারছি না ওই ছবি আর ওই প্রাণীর সঙ্গে তাঁদের কী সম্পর্ক। দুই ওখানে যদি আমাকে প্রশ্ন করা হয় যে এই দলবদলু ইত্যাদি এই ধরণের বিষয়গুলো পোস্টে আছে কেন? নাম না থাকলেও। তো আমি বলেছি যে আমি একজন সাংবাদিক এবং একজন লেখক, ঔপন্যাস এটা আমার স্টাইল যে আমি মাঝে মাঝে কোন প্লটের উপন্যাস লিখছি, হেঁয়ালি করে সেগুলো ফেসবুকে ছাড়ি। আমার উপন্যাসটা প্রকাশিত হলে দেখে নেবেন তার মধ্যে দলবদলু আছে কিনা, ঘুষখোর আছে কিনা। তো তার জন্য আমি তো কাওকে কৈফিয়ত দিতে পারবো না।’

সবশেষে কুণাল বাবু পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আমাকে প্রশ্ন করা হলো যে আমি ওখানে লিখেছেন ‘ঘোঁত ঘোঁত করছে।’ ‘ঘোঁত ঘোঁত ‘ টা এটা একটা অপত্তিকর । মানে অপূর্ব, পুলিশেরও হাতে আজকাল এত সময়। কিন্তু কী আশ্চর্য যে কমপ্লেইন করেছে সে কি ‘ঘোঁত ঘোঁত’ করে?’