বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্ক HDFC ব্যাঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমতাবস্থায়, আপনি যদি HDFC ব্যাঙ্কের গ্রাহক হন, সেক্ষেত্রে এই প্রতিবেদনটি নিঃসন্দেহে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে। মূলত, HDFC ব্যাঙ্ক তার লেন্ডিং রেটস তথা ঋণের হারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। যা গ্রাহকদের মাসিক EMI-কে সরাসরি প্রভাবিত করবে।
HDFC ব্যাঙ্কের (HDFC Bank) গ্রাহকদের জন্য বড় ঝটকা!
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই ব্যাঙ্ক দীর্ঘমেয়াদী ঋণ বিশেষ করে ৩ বছরের ঋণের ক্ষেত্রে, মার্জিনাল কস্ট অফ ফান্ডস বেসড লেন্ডিং রেট তথা MCLR ০.০৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। এর অর্থ হল, যদি আপনার হোম লোন বা দীর্ঘমেয়াদী ঋণ এই বেঞ্চমার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আপনার EMI-এর বোঝা প্রায় নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। এদিকে, নতুন হার কার্যকর হওয়ার পর, ৩ বছরের MCLR এখন ৮.৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮.৬০ শতাংশ হয়েছে।

শর্ট টার্ম ঋণগ্রহীতারা উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পাবেন: এদিকে, ব্যাঙ্কটি দীর্ঘমেয়াদী ঋণগ্রহীতাদের জন্য একটি ধাক্কা দিলেও, শর্ট টার্ম ঋণগ্রহীতাদের জন্য উল্লেখযোগ্য স্বস্তির ব্যবস্থা করেছে। মূলত, ব্যাঙ্কটি ওভারনাইট থেকে ৬ মাস মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে MCLR ০.০৫ শতাংশ কমিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি সেইসব কোম্পানি এবং ব্যবসাকে সরাসরি উপকৃত করবে, যারা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য শর্ট টার্ম ঋণ গ্রহণ করে। এই পরিবর্তনের ফলে, এক মাসের হার ৮.১০ শতাংশ থেকে কমে ৮.০৫ শতাংশ হয়েছে। একইভাবে, ৩ মাসের হার ৮.১৫ শতাংশ এবং ৬ মাসের MCLR এখন ৮.৩০ শতাংশ।
আরও পড়ুন: একটি পাসওয়ার্ডেই দেশজুড়ে বিনামূল্যে চলবে WI-FI! সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বড় পরিকল্পনা TRAI-র
১-২ বছর মেয়াদের হারে কোনও পরিবর্তন নেই: তবে, HDFC ব্যাঙ্ক এক এবং দুই বছর মেয়াদের জন্য MCLR-এ কোনো পরিবর্তন করেনি। গ্রাহকদের জন্য এক বছরের হার ৮.৩৫ শতাংশ এবং দুই বছরের হার ৮.৪৫ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। এই সর্বশেষ পরিবর্তনগুলির পর, বব্যাঙ্কের সামগ্রিক MCLR হার এখন ৮.০৫ শতাংশ থেকে ৮.৬০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে পারমাণবিক যুদ্ধ পাগলামির সমান! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে কী জানাল পাকিস্তান?
MCLR কী: সহজ কথায় MCLR হল সর্বনিম্ন সুদের হার, যার নিচে কোনও ব্যাঙ্ক তার গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারে না। এদিকে, সুদের হারের পরিবর্তন থেকে গ্রাহকরা যাতে স্বচ্ছভাবে উপকৃত হন, তা নিশ্চিত করার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তথা RBI ২০১৬ সালে এটি চালু করে। মূলত, ব্যাঙ্কগুলি বাজার থেকে ফান্ড সংগ্রহের খরচ, তাদের পরিচালন ব্যয় এবং অন্যান্য আর্থিক মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে এই হার নির্ধারণ করে। তাই, বাজার ও গ্রাহকদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ের জন্য এই হার ভিন্ন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়।













