বাংলা হান্ট ডেস্ক: ইতিমধ্যেই দুধের দাম (Milk Price) বাড়িয়েছে আমুল। এবার সেই পথে হাঁটল মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy)। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, খরচ বৃদ্ধির কারণে এই সংস্থাও দুধের দাম বাড়িয়েছে। সংস্থাটি বিভিন্ন ধরণের দুধের ওপর প্রতি লিটারে ২ টাকা দাম বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এই নতুন দাম ২০২৬ সালের ১৪ মে, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। বুধবার জারি করা এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে যে, গত এক বছরে কৃষকদের কাছ থেকে দুধ কেনার খরচ প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে যে, গ্রাহকদের ওপর প্রভাব কমানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাম বাড়ানো হয়নি। কিন্তু এখন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
দুধের দাম বৃদ্ধি করল মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy):
জানিয়ে। রাখি যে, মাদার ডেয়ারির আগে আমুলও প্রতি লিটার দুধের দাম ২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি মতে, দুধের শেষ মূল্য পরিবর্তন হয়েছিল ২০২৫ সালের এপ্রিলে। সংস্থাটি ব্যাখ্যা করেছে যে, তারা তাদের দুধ বিক্রির আয়ের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ কৃষকদের দিয়ে থাকে। তাই, এই মূল্যবৃদ্ধি কৃষক এবং গ্রাহক উভয়ের স্বার্থেই করা হয়েছে।

দুধের নতুন দাম: নতুন দাম অনুযায়ী, দিল্লি-এনসিআর-এ খোলা টোনড মিল্ক এখন থেকে প্রতি লিটার ৫৮ টাকায় পাওয়া যাবে। যা আগে ছিল ৫৬ টাকা। ফুল-ক্রিম দুধের পাউচের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ৭২ টাকা হয়েছে। এদিকে, টোনড মিল্কের দাম প্রতি লিটার ৫৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ টাকা করা হয়েছে। ডাবল টোনড মিল্ক এখন থেকে প্রতি লিটার ৫৪ টাকায় পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি গরুর দুধের দামও লিটার প্রতি ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের! ভারতের প্রথম সেমি হাই-স্পিড রেল প্রকল্পের অনুমোদন, খরচ হবে ২০,৬৬৭ কোটি
দিল্লি-এনসিআর-এ ৩৫ লক্ষ লিটার বিক্রি: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাদার ডেয়ারি দিল্লি-এনসিআর-এ প্রতিদিন প্রায় ৩৫ লক্ষ লিটার দুধ বিক্রি করে। দুগ্ধজাত পণ্য এবং ভোজ্য তেলের প্রবল চাহিদার কারণে গত অর্থবর্ষে সংস্থাটি ২০,৩০০ কোটি টাকার টার্নওভার অর্জন করেছে। যেখানে ১৭ শতাংশের বৃদ্ধি ঘটেছে।
আরও পড়ুন: ভারতের অর্থনীতি পাবে বড় শক্তি! মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের আবহেই সরকারকে কয়েক লক্ষ কোটির উপহার RBI-র
এদিকে, আমুল জানিয়েছে যে কৃষকদের বেশি অর্থ প্রদান করা হচ্ছে, যা উৎপাদন বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তবে, এই বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের পারিবারিক বাজেটের ওপর প্রভাব ফেলবে। কারণ দুধ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি প্রতিদিন ব্যবহৃত হয়।













